নিষেধাজ্ঞা দেড় বছর কমলেও খুশি নন আকমল

সমাজের কথা ডেস্ক॥ উমর আকমলের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আপিলে কমে হয়ে গেল অর্ধেক। তিন বছরের বদলে তাকে এখন মাঠের বাইরে কাটাতে হবে দেড় বছর। তার পরও অবশ্য সন্তুষ্ট নন এই পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও কমিয়ে আনার পথ খুঁজবেন বলে জানালেন তিনি।

পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) অনৈতিক প্রস্তাব পেয়েও তা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে না জানানোয় গত এপ্রিলে তিন বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয় আকমলকে। এরপর মে মাসে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করেন তিনি। লাহোরে শুনানির পর বুধবার জানানো হলো রায়।

দুর্নীতি বিরোধী ধারা দুটি বিধি ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছিল আকমলের বিরুদ্ধে। তখন তিনি অভিযোগ মেনে নিয়েছিলেন, তবে বলেছিলেন পারিপার্শ্বিকতা এরকম ছিল যে বোর্ডকে জানানোর মতো গুরুত্ব তিনি দেননি।

আপিলে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ কমানোর পক্ষে আকমলের আইনজীবীরা জোর দিয়েছিলেন আগের উদাহরণগুলোর দিকে। প্রায় একই রকম অভিযোগে পেসার মোহাম্মদ ইরফান নিষিদ্ধ হয়েছিলেন ৬ মাসের জন্য, স্পিনিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নওয়াজ ২ মাসের জন্য।

আকমলের ক্ষেত্রে অবশ্য শাস্তির সময় বলা হয়েছিল, কৃতকর্মের জন্য আকমলের মধ্যে অনুশোচনা দেখা না যাওয়ায় তুলনামূলক কঠিন সাজা দেওয়া হয়েছে। শৃঙ্খলাভঙ্গের আরও অনেক ঘটনাও তিনি ঘটিয়েছেন আগে।

দেড় বছর কমে যাওয়ার পর গত ফেব্রুয়ারি থেকে আগামী বছরের অগাস্ট পর্যন্ত থাকবে আকমলের নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ। তবে শাস্তি আরও কমানোর আশায় আছেন ৩০ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।

“ আমার আইনজীবীদের কথা যথাযথভাবে শোনার জন্য মাননীয় বিচারকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। শাস্তির বাকিটা নিয়ে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেব এবং আরও কমানোর চেষ্টা করব। এখনও আমি সন্তুষ্ট নই এবং আমার আইনজীবী ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলব, কীভাবে সামনে এগোতে পারি। আগেও অনেক ক্রিকেটার আমার মতো ভুল করেছে। দেখুন, তারা কতটা শাস্তি পেয়েছে, আমি কতটা। আপাতত সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

পাকিস্তানের হয়ে প্রায় ১১ বছরের ক্যারিয়ারে ১৬ টেস্ট, ১২১ ওয়ানডে ও ৮৪ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন আকমল। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শুরুটা দারুণ করেছিলেন এই প্রতিভাবান ব্যাটসম্যান। তবে সময়ের সঙ্গে প্রত্যাশিত উন্নতি করতে পারেননি। বারবার খবরের শিরোনাম হয়েছেন মাঠের বাইরের নানা বিতর্কে।

শেয়ার