ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে কৃত্রিম ‘মার্কিন রণতরী’ ধ্বংস করল ইরান

সমাজের কথা ডেস্ক॥ এক সামরিক মহড়ায় ইরান নিজেদের তৈরি করা মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর একটি প্রতিরূপ ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে ধ্বংস করেছে।

হরমুজ প্রণালীতে অনুষ্ঠিত এই মহড়ার নাম নবী মুহম্মদ (সাঃ)-১৪ ছিল বলে জানিয়েছে বিবিসি।

ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে মহড়াটি সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।

পারস্য উপসাগরে নিয়মিত চলাচলকারী মার্কিন বিমানবাহনী রণতরীর মতো করে বানানো ওই মডেলটির ডেকে কৃত্রিম যুদ্ধবিমানও রাখা ছিল। মহড়ায় বিভিন্ন দিক থেকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়। এর মধ্যে কয়েকটি ওই রণতরীর মডেলটি লক্ষ্য করে ছোড়া হয়।

হেলিকপ্টার থেকে ছোড়া আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র কৃত্রিম ওই যুদ্ধজাহাজটির একপাশে আঘাত হানে।

“বিমান ও নৌবাহিনীর দিক থেকে আজকের মহড়ায় যা দেখানো হয়েছে তার সবই ছিল আক্রমণাত্মক,” রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনকে বলেছেন ইরানের রেভ্যুলুশনারি গার্ডের কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি।
পারস্য উপসাগরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ক্রমাগত উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যেই এ মহাড়াটি চালাল ইরান।

এই মহড়ায় ভারী গোলাবর্ষণ অন্তর্ভুক্ত থাকায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী আঞ্চলিক দুটি ঘাঁটিকে সাময়িকভাবে সতর্ক অবস্থায় রাখে। মহড়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে, এমনটি শনাক্ত হওয়ার পর সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে আমেরিকান সেনারা সতর্ক হয়ে ওঠে।

‘ভয় দেখিয়ে ও বাধ্য করতে’ ইরান এই মহড়াটি চালিয়েছে বলে অভিযোগ করে দেশটির ‘দায়িত্বজ্ঞানহীন ও বেপরোয়া আচরণের’ নিন্দা করেছে মার্কিন নৌবাহিনী।

মার্কিন নৌবাহিনীর বাহরাইনভিত্তিক পঞ্চম নৌবহরের মুখপাত্র কমান্ডার রেবেকা রিবারিচ বলেছেন, “মুক্তভাবে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতার জন্য সমুদ্রপথে নিরাপত্তা জোরদার করতে মার্কিন নৌবাহিনী অংশীদারদের সঙ্গে নিয়ে আত্মরক্ষামূলক অনুশীলন পরিচালনা করে, সেখানে ইরান ভয় দেখাতে ও বাধ্য করতে আক্রমণাত্ম অনুশীলন পরিচালনা করল।”

শেয়ার