ঐশ্বরিয়া-আরাধিয়াও আক্রান্ত, জানালেন অভিষেক

সমাজের কথা ডেস্ক॥ মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর টুইট মোছার ঘটনায় বিভ্রান্তির পর বলিউডের ছোট বচ্চন অভিষেক নিজেই জানালেন, তার স্ত্রী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন এবং আট বছরের মেয়ে আরাধিয়া বচ্চনও করোনাভাইরাসে আক্রান্ত।
রোববার সন্ধ্যায় এক টুইটে তিনি বলেন, “ওরা (ঐশ্বরিয়া ও আরাধিয়া) বাড়িতেই কোয়ারেন্টিনে থাকবে। বিএমসি (বৃহত্তর মুম্বাই মিউনিসিপাল করপোরেশন) এ নিয়ে অবগত এবং তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।”
একই টুইটে ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের ‘শুভেচ্ছা ও প্রার্থনার জন্য ধন্যবাদ’ জানিয়ে অভিষেক বলেন, “আমার মা (জয়া বচ্চন) ও পরিবারের বাকি সদস্যরা কোভিড-১৯ নেগেটিভ।”
এর আগে দুপুরে মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজেশ তোপ টুইট করে বচ্চন অভিষেকের স্ত্রী ঐশ্বরিয়া ও তাদের মেয়ে আরাধিয়ার করোনাভাইরাস পজিটিভ আসার খবর দেন। অমিতাভ বচ্চনের স্ত্রী অভিনেত্রী জয়া বচ্চনের পরীক্ষার ফলাফল নেগেটিভ এসেছে বলেও ওই টুইটে জানান তিনি।
কিন্তু কয়েক মিনিট পর সেই টুইট ডিলিট করে দেন মহারাষ্ট্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এদিকে ততক্ষণে ভারতের বেশিরভাগ সংবাদমাধ্যম তার টুইটের বরাতে ঐশ্বরিয়া ও আরাধিয়ার আক্রান্ত হওয়ার খবর প্রকাশ করেছে।
কাছাকাছি সময়ে মুম্বাইয়ের মেয়র কিশোরী পেদনেকারের বরাত দিয়ে পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়, ঐশ্বরিয়া ও আরাধিয়ার দুজনেরেই পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। তাতে করে তৈরি হয় বিভ্রান্তি।
সন্ধ্যায় অভিষেকের টুইটের পর সেই বিভান্তির অবসান ঘটে। তিনি নিজে এবং তার বাবা ভারতীয় চলচ্চিত্রের ‘বিগ বি’ অমিতাভ বচ্চন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শনিবার রাত থেকে মুম্বাইয়ের নানাবতী হাসপাতালে ভর্তি। এদিকে বচ্চন পরিবারে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার পর জুহুতে তাদের বাড়ি জলসা অবরুদ্ধ করে ১৪ দিনের জন্য কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ৭৭ বছর বয়সী অমিতাভের মধ্যে মৃদু উপসর্গ থাকলেও তার অবস্থঅ স্থিতিশীল। তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে।
বৃহত্তর মুম্বাই মিউনিসিপাল করপোরেশন সহকারী কমিশনার বিশ্বাস মোটের বরাত দিয়ে হিন্দুস্থান টাইমস জানিয়েছে, বচ্চন পরিবারের চারটি বাংলো জলসা, জনক, প্রতীক্ষা, ভাতসা এরইমধ্যে অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
“আমরা এখানকার সব কর্মীর কনট্যাক্ট ট্রেসিং করে দেখছি; এখন পর্যন্ত ৩০ জনকে ঝুঁকিপূর্ণ কনট্যাক্ট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।”

বিএমসির অতিরিক্ত কমিশনার সুরেশ কাকানি বলেন, “গৃহকর্মী ও পরিবারের সদস্য মিলিয়ে এ পর্যন্ত মোট ১৬ জনের পরীক্ষা করা হয়েছে।”

শেয়ার