মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৮টি উপজেলায় ৮টি পিকআপ ভ্যানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের ৮টি উপজেলায় মৎস্যজীবী সমিতিকে ৮টি পিকআপ ভ্যানসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে মৎস্য বিভাগ। গতকাল শনিবার সকালে জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব বিতরণ করা হয়। করোনার আপদকালীন সময়ে আমিষের চাহিদা পূরণসহ মাছের সরবরাহ ও উৎপাদন অব্যাহত রাখার জন্য এগুলো বিতরণ করা হয়েছে বলে জানান মৎস্য কর্মকর্তারা।
এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের এনএটিপি-২ প্রকল্পের পরিচালক এসএম মনিরুজ্জামান। এসময় উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান, বেনাপোল স্থলবন্দরের ফিশারিজ কোয়ারেন্টাইন অফিসার মাহবুবুর রহমান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব, আনোয়ার কবীর প্রমুখ।
মৎস্য অধিদপ্তরের এনএটিপি-২ প্রকল্পের পরিচালক এসএম মনিরুজ্জামান জানান, সরকার দেশের মৎস্যখাতকে চাঙ্গা রাখতে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহন করেছে। বাংলাদেশের ৫৭টি জেলায় ২৭০টি উপজেলায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ৩শ কোটি টাকা ব্যয়ে মৎস্য সমিতিগুলোকে এসব সরঞ্জাম বিতরণ করা হচ্ছে।
যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আনিছুর রহমান জানান, জেলায় মাছ ও মাছের পোনা এবং খাদ্য সরবরাহের জন্য মৎস্য সমিতিগুলোকে ৮টি পিকআপ ভ্যান, ৮টি খাদ্য মেশিন, মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ৫০টি এয়ারেটর, ১০টি পাম্প মেশিন, ৫টি নসিমন এবং একশটি বড় বেড়জাল সরবরাহ করা হয়েছে।
সদর উপজেলার চাঁচড়া-ভাতুড়িয়া মৎস্য সমিতির সাধারণ সম্পাদক সালমা ইয়াসমিন জানান, পিকআপ গাড়িসহ অন্যান সরঞ্জাম পেয়ে আমরা অনেক উপকৃত হয়েছি। এতে আমরা উৎপাদিত মাছ বিভিন্ন বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারবো। একই সাথে পিকআপ ভাড়া দিয়ে আমাদের সমিতির আয় হবে। একই অভিমত ব্যক্ত করেন ঝিকরগাছার চান্দা কায়েমকোলা মৎস্য সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, আগে আমরা পরিবহনের অভাবে মাছ সরবরাহ করতে না পেরে কমদামে বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন এই পিকআপ পেয়ে শহরের বাজারে আনতে পারবো।

শেয়ার