যশোরে মাছের আড়তের কর্মচারী মুন্না খুন আদালতে এক আসামির জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোর শহরের বড়বাজার মাছবাজার এলাকার আড়তের কর্মচারি শেখ ইমরান হোসেন মুন্না হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে শিমুল হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক তার জবানবন্দি গ্রহণ শেষে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। আসামি শিমুল হোসেন যশোর শহরের লোন অফিসপাড়ার দুলাল হোসেনের ছেলে।
শিমুল হোসেন জানিয়েছেন, তিনি কাঠেরপুল এলাকার শাকিলের তুষকাঠ ঘরে কর্মচারী হিসেবে কাজ করতো। পাশাপাশি এই মামলায় এর আগে আটক রাকিব তার খালাতো ভাই এবং পলাশ ও হৃদয় নামের আরো দুই যুবক তার বন্ধু। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রাকিব, পলাশ ও হৃদয় শিমুলের বাসায় যায়। এসময় রাকিব বলেছে মুন্না তাকে মেরেছে। সবাই এক সাথে গিয়ে মাছ বাজারে মুন্নাকে পেয়ে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করা হয়। এরপর সবাই পালিয়ে চলে যায়। পরে খবর পায় মুন্না মারা গেছে।
এর আগে এই মামলায় রাকিব, হৃদয় ও পলাশ হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার ভোর রাতে শিমুলকে আটকের পর আদালতে সোপর্দ করা হলে সে ও মুন্নাকে হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে।
উল্লেখ্য, বড়বাজার মাছবাজার এলাকার আবুল খায়েরের মাছের আড়ৎ কর্মচারী ছিলেন শেখ ইমরান হোসেন মুন্না। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বিকেলে মাছবাজার এলাকার আদমের চায়ের দোকানের সামনে সন্ত্রাসীরা তাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার চাচা শেখ রেজাউল ইসলাম রেজু বাদী হয়ে সন্ত্রাসী শিমুল, পলাশ, রাকিব ও ছোট হৃদয়কে আসামি দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।

শেয়ার