যশোরের কৃতী সন্তান রাশেদুল ইসলামের অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি

যশোরের কৃতী সন্তান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির উদ্দীন আহমেদ শিক্ষা ও কল্যাণ ট্রাস্টের উপদেষ্টা রাশেদুল ইসলাম অতিরিক্ত সচিব থেকে সচিব পদমর্যাদায় পদোন্নতি পেয়েছেন। গত ১ জুলাই রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব তমিজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্তি সচিব রাশেদুল ইসলামকে সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যশোরের চৌগাছা উপজেলার ধূলিয়ানী ইউনিয়নের মুক্তারপুর গ্রামের মৃত শামছুজ্জোহা বিশ্বাস ও জোবেদা খাতুনের পুত্র রাশেদুল ১৯৬২ সালের ৫ জুন জন্মগ্রহণ করেন। ৪ ভাই ৬ বোনের মধ্যে কনিষ্ঠ সন্তান রাশেদুল ইসলাম ১৯৭৮ সালে এসএসসিতে মানবিক বিভাগে যশোর বোর্ডে মেধা তালিকায় স্থান দখল করেন; ১৯৮০ এমএম কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় সম্মিলিত মেধা তালিকায় স্থান দখল করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৮৬ সালে ৮ম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারের প্রশাসনে যোগদান করেন। রাশেদুল ইসলামের পিতা মরহুম শামছুজ্জোহা ওরফে ভাটাই বিশ্বাস ধূলিয়ানী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সভাপতি ছিলেন। ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শহীদ মশিয়ুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে গরুর গাড়িতে করে ওই বাড়িতে এসেছিলেন। সেখানে দুপুরের খাওয়া শেষে বঙ্গবন্ধু তার সফর সঙ্গীদেরকে নিয়ে যশোরে ফিরে আসেন।
রাশেদুল ইসলামের বড় ভাই রবিউল ইসলাম এবং ছোট বোনের স্বামী মরহুম রবিউল ইসলাম তারা দুজনেই বীর মুক্তিযোদ্ধা। রাশেদুল ইসলাম এর আগে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিভাগে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয়, রাষ্ট্রপতির কার্যালয় (জন বিভাগ), স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এবং সর্বশেষ তিনি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব পদে দায়িত্ব পালন করেন। তার সহধর্মিনী শারমিনা সুলতানা ঢাকা মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। রাশেদুল ইসলাম যশোর স্টেডিয়ামপাড়ার বাসিন্দা সাবেক পিপি মরহুম অ্যাড. সৈয়দ মোকাররম হোসেনের ভাগ্নিজামাই।
তিনি যেন সুনামের সঙ্গে সরকারের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করতে পারেন সেই প্রত্যাশা এবং তার উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির উদ্দীন আহমেদ শিক্ষা ও কল্যাণ ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক সাদাত হোসেন পলাশ। -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার