অভয়নগরে কলেজছাত্র খুনে জড়িত থাকা দু’জনের আদালতে জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের অভয়নগর উপজেলার পুড়াখালি গ্রামের কলেজছাত্র নুরুজ্জামান বাবু হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। গত বৃহম্পতিবার রাতে নিহতের পিতা ইমরান গাজী আটক আব্দুর রাজ্জাক ও রিফাত হোসেন আউশকে আসামি দিয়ে অভয়নগর থানায় এই মামলা করেন। শুক্রবার আটক দু’জনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইসলাম জবানবন্দি গ্রহণ শেষে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, ১ জুন রাতে পুড়াখালী গ্রামের ইমরান গাজীর একমাত্র ছেলে কলেজছাত্র নুরুজ্জামান বাবুকে মোবাইল ফোনে মেসেস দিয়ে ডেকে নিয়ে যান বন্ধু রিফাত হোসেন আউশ। এরপর থেকে নুরুজ্জামান বাবু নিখোঁজ ছিলেন। বিভিন্নস্থানে তার কোন সন্ধান না পেয়ে অভয়নগর থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পিতা ইমরান গাজী। তবে নুরুজ্জামান বাবু নিখোঁজ হওয়ার পর তার মোবাইল ফোন নম্বর ব্যবহার করে পরিবারের কাছে ৫০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অজ্ঞাতনামা পরিচয়ধারী দুর্বৃত্ত। এরই সূত্র ধরে তথ্য প্রযুক্তির সাহায্যে গত বুধবার দুপুরে নুরুজ্জামান বাবুর বন্ধু রিফাত হোসেন আউশকে ডিবি পুলিশের সহায়তায় আটক করে অভয়নগর থানা পুলিশ। এরপর ওইদিন রাতে ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার রাজাপুর থেকে আটক করা হয় রিফাত হোসেন আউশের চাচাতো ভগ্নিপতি আব্দুর রাজ্জাককে। তাদের দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত বৃহস্পতিবার ভোরে পুড়াখালী বাঁওড় থেকে অপহৃত কলেজছাত্র নুরুজ্জামান বাবুর লাশ উদ্ধার করা হয়। এদিন রাতে নিহত নুরুজ্জামান বাবুর পিতা ইমরান গাজী আটক দু’জনকে আসামি করে থানায় মামলা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা অভয়নগর থানা পুলিশের এসআই শাহ আলম।

শেয়ার