চাচাতো ভাইয়ের সহযোগিতায় কেশবপুরে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ‘ধর্ষণ’ করলো প্রেমিক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের কেশবপুরে মাদ্রাসার ছাত্রীকে একই এলাকার তুহিন আলী ধর্ষণ করেছে বলে দাবি করা হয়েছে। আর তার চাচাতো ভাই সহযোগিতা করে। শনিবার আদালতে দেয়া জবানবন্দিতে এই তথ্য জানিয়েছেন ভুক্তোভোগী ছাত্রী নিজেই। সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক সাইফুদ্দীন হোসাইন ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণ শেষে পরিবারের জিম্মায় দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। এ ঘটনায় জড়িত আব্দুল্লাহ আটক হলেও ধর্ষক তুহিনকে আটক করা যায়নি।
জবানবন্দিতে ওই ছাত্রী জানিয়েছেন, মাদ্রাসায় যাওয়া আসার পথে তুহিন তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়াসহ প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। তুহিনের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। ঈদের দিন বিকেলে ওই ছাত্রী তার মামা বাড়ি যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আব্দুল্লাহদের বাড়ির সামনে পৌঁছালে তুহিন তাকে ধরে বাথরুমে নিয়ে যায়। আব্দুল্লাহ পাহারায় থাকে আর তুহিন তাকে ধর্ষণ করে। এরপর মামা বাড়ি গিয়ে তার মামীকে বিষয়টি জানিয়েছিল।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, গত ২৫ মে ঈদের দিন বিকেলে ওই ছাত্রী তার মামা বাড়ি যাচ্ছিল। পথিমধ্যে তুহিন ও আব্দুল্লাহ তাকে ফুসলিয়ে বাড়ির মধ্যে বাথরুমে নিয়ে যায়। আব্দুল্লাহ পাহারায় থাকে আর তুহিন ধর্ষণ করে। এরপর তাকে তার মামা বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। সেখানে মেয়েটি অসুস্থ হলে পরিবারের লোকজন প্রথমে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসা শেষে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওই ছাত্রীর জবানবন্দি গ্রহণের জন্য আদালতে সোপর্দ করেন।

শেয়ার