হোটেল শ্রমিক ইউনিয়ন যশোর কমিটি
প্রণোদনা ও বকেয়া মজুরিসহ উৎসব বোনাস দাবিতে মানববন্ধন পালিত

করোনা মহামারীতে সাধারণ ছুটি ও লকডাউনে সরকার ঘোষিত পর্যাপ্ত পরিমাণ রেশন কার্ড, প্রণোদনা ও বকেয়া মজুরিসহ ঈদুল ফিতরের উৎসব বোনাস প্রাপ্তির দাবিতে মঙ্গলাবার দুপুর সোয়া ১২ টায় যশোর প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়ন যশোর জেলা কমিটির পক্ষ থেকে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের জেলা সহ-সভাপতি হেমায়েতের সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালীন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের জেলা সাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণা সরকার, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আহাদ আলী লস্কর, দপ্তর সম্পাদক কামরুজ্জামান রাজেস, ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তাইজুল ইসলাম ও যুগ্ম-সম্পাদক আইয়ুব হোসেন প্রমুখ। পরিচালনা করেন ইউনিয়নের প্রচার সম্পাদক আতিকুর রহমান জিহাদ। মানববন্ধনে নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনা ভাইরাস মহামারীতে গত ২৬ মার্চ থেকে প্রায় ২ মাস সরকার সাধারণ ছুটি ঘোষণায় হোটেল রেস্তোরা বন্ধ রয়েছে। ফলে শ্রমিকরা কর্মহীন হয়ে অর্ধাহারে-অনাহারে ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতর। এ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের প্রদত্ত ১০০ প্যাকেট ত্রাণ (যার মধ্যে প্রতিটি প্যাকেটে ছিল ৫কেজি চাল আর ২কেজি) যশোর প্রেসক্লাবের সভাপতি জনাব জাহিদ হাসান টোকনের মাধ্যমে আমরা পেয়েছি। শহরের প্রায় হাজার শ্রমিকের হোটেল সেক্টরের ৬৪৪ জনের নামসহ তালিকা জেলা প্রশাসনে নিকট ইউনিয়নের পক্ষ থেকে প্রদান করা হয়েছে। অনুরূপ নামও তালিকা মাননীয় সংসদ সদস্য, পুলিশ সুপার, কারকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ও পৌর মেয়র বরাবর প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোন ত্রাণ প্রণোদনা বা সহযোগিতা শ্রমিকরা পায়নি। উপরন্তু জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাপ্ত ১০০প্যাকেট ত্রাণ একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে ২০০প্যাকেট পাওয়ার তথ্য অপপ্রচার করছে। পত্র-পত্রিকায় সরকার ও প্রশাসন বলছে পর্যাপ্ত ত্রাণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে, কিন্তু যশোরের অপরাপর শ্রমিকদের ন্যায় হোটেল শ্রমিকরা কোন ত্রাণ না পেয়ে পরিবার-পরিজন নিয়ে না খেয়ে বিনা চিকিৎসায় ধুকে ধুকে মরছে। তারা বাড়িভাড়া, বিদ্যুৎবিল জোগাড় করতে না পেরে দিশেহারা। -সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার