যশোরে দরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি চাল বিক্রি শুরু

 বিকাল ৩টা পর্যন্ত হচ্ছে বিক্রি, আনতে হবে আইডি কার্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে যশোরে দুস্থ, অসহায় ও খেটে খাওয়া দরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে খোলা বাজারে (ওএমএস) চাল বিক্রি শুরু করেছে সরকার। রোববার থেকে যশোর শহরের দশ পয়েন্টে এই চাল বিক্রি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এদিকে নির্ধারিত সময়ের আগেই যশোর শহরে এ দশটি পয়েন্টে চাল নিতে মানুষের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। যদিও সংশ্লিষ্টদের দাবি, বর্তমানে দেশের করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে এ চাল বিক্রি কার্যক্রম চলছে।
চাল বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান হাসান ইকবাল জানান, সপ্তাহে তিনদিন চাল বিক্রি কার্যক্রম চলবে। সপ্তাহে রোববার, মঙ্গলবার ও বৃহস্পিতবার এ তিনদিন চাল বিক্রি হবে। এ তিন দিন চাল কিনতে পাওয়া যাবে পুরাতন কসবার হাসান ইকবালের দোকানে, ঘোপ রোডের রবিউল ইসলামের দোকানে, মুজিব সড়কের লাইজুজ্জামানের দোকানে, এমএম কলেজ মোড়, ধর্মতলার রোকন ব্যাপারী দোকানে, চার খাম্বার তোতা মিয়ার দোকানে, বেজপাড়ার মোস্তাফার দাকোনে, হুসতলার সালাউদ্দিনের দোকানে, বারান্দী পাড়ার কাশেম বাবুর দোকানে। এছাড়া বড়বাজারে আতাপট্টি ও ঝুমঝুমপুরে চাল বিক্রি করা হবে নিতায় চন্দ্র সাহার দোকানে। এছাড়া প্রতিটি পয়েন্টে ২০০ জনের কাছে চাল বিক্রি করা হবে। চাল কিনতে হলে ক্রেতাদের জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে আসতে হবে।
চাল কিনতে আসা রুবেল ইসলাম বলেন, পরিবারের সদস্য সংখ্যা অনেক। ৫ কেজি চাল একদিনেই লাগে। তাই চাল নিতে একাধিক সদস্য লাইনে দাঁড়িয়েছি।
এ ব্যাপারে ওএমএস ডিলার হাসান ইকবাল বলেন, সপ্তাহে তিন দিন জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে চাল কিনতে পারবে অসহায় মানুষ। প্রতিটি পরিবার থেকে একজন পাঁচ কেজি চাল সর্বোচ্চ নিতে পারবেন। সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৩টা পর্যন্ত এ চাল বিক্রি কার্যক্রম চলবে।
এদিকে, গতকাল সকালে সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয় এলাকায় কার্যক্রম দেখেন স্থানীয় কাউন্সিলর মুস্তাফিজুর রহমান মোস্তা। আরও পরে চাল বিক্রি পরির্দশন করেন যশোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রফিকুল হাসান।

শেয়ার