বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতি কৃষকের প্রণোদনা, ফসলের ন্যায্যমূল্য ও চিকিৎসা সুবিধার ব্যবস্থার দাবি

বাংলাদেশ কৃষক সংগ্রাম সমিতির সভাপতি হাফিজুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির এক যুক্ত বিবৃতি দিয়ে বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়েছেন। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, নভেল করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবে বিশ্বজুড়ে মহামারি পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৬ মার্চ থেকে ‘লকডাউন’ অবস্থায় চলছে। বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে মূলত কৃষি, তৈরি পোশাকশিল্প এবং প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো বৈদেশিক মুদ্রা বা রেমিট্যান্সের ওপর। এমতাবস্থায় ৫ এপ্রিল সরকার ৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। তিনটি ভাগে এই প্যাকেজ-এর টাকা স্বল্পসুদে ঋণ হিসেবে বিতরণ করা হবে বলে বলা হয়েছে। বিদ্যমান করোনা ভাইরাসজনিত পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য মন্দা মোকাবেলায় এই কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। এক্ষেত্রে শিল্প মালিক, ব্যবসায়ী (ক্ষুদ্র ও মাঝারী) সকলই এর আওতায় পড়বে। কিন্তু এর আওতায় নেই কৃষকরা। কৃষি ক্ষেত্রে যেটুকু ঘোষণায় এসেছে তাও কৃষি ব্যবসায়িগণ এই সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ পোল্ট্রি, মৎস্য খামার, ডেয়রির ক্ষেত্রে। গ্রামাঞ্চলের কৃষক যারা সরাসরি উৎপাদনের সাথে সম্পর্কিত বা যারা কৃষির সাথে সম্পর্কযুক্ত ভূমিহীন-দরিদ্র কৃষক তাদের কোন রকম প্রণোদনার আওতায় আনা হয়নি। অথচ বাংলাদেশের সবথেকে বড় ফসল তোলার মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষক খুবই দুশ্চিন্তায় রয়েছে ফসল কেটে ঘরে উঠানো নিয়ে। সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ যারা গ্রামে বসবাস করে তাদের প্রণোদনার আওতায় এনে ফসল ঘরে উঠানোর নিশ্চয়তা বিধান করা প্রয়োজন। পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠীর জন্য করোনা ভাইরাসজনিত রোগ মোকাবেলায় পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি প্রয়োজন। ধান কাটার মৌসুমের শুরু থেকে ধানের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

শেয়ার