১৫ দিনে কোয়ারেন্টাইনে ১৬৭২ জন
যশোরে চিকিৎসক ও নার্সদের সুরক্ষা পোশাক প্রদান

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশনে নতুন তিনজনকে রাখা হয়েছে। এনিয়ে জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে ৩১৬ জন। সব মিলে গত ১৫ দিনে যশোর জেলায় প্রতিষ্ঠানিক ও হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে এক হাজার ৬৭২ জনকে। এরমধ্যে ৯৬ জনকে কোয়ারেন্টাইন থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সিভিল সার্জন অফিসের রোগতত্ত্ব ও নিয়ন্ত্রণ বিভাগের কো-অর্ডিনেটর ডা. মাশহুরুল হক।
এদিকে বুধবার সকালে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ইন্টার্নি চিকিৎসকদের মাঝে করোনা প্রতিরোধের বিশেষ পোষাক বিতরণ করেছেন কর্তৃপক্ষ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায়, যশোর জেলা বিএমএর সভাপতি ডা. একেএম কামরুল ইসলাম বেনু, সাধারণ সম্পাদক ডা. এমএ বাশার প্রমুখ।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ও তথ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত দু’দিনে হাসপাতালে পাঁচজনকে করোনা ভাইরাসে সন্দেহে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। এরমধ্যে বুধবার সকাল থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত হাসপাতালের আইসোলেশনে তিনজনকে ভর্তি করা হয়েছে। তবে সন্দেহভাজন তিন জনের মধ্যে একজন (৭০) বৃদ্ধ ও দুইজনের বয়স ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। কিন্তু সন্দেহভাজন কেউ সদরের নয়। একজনের বাড়ি নড়াইলে এবং অপর দু’জনের বাড়ি মণিরামপুর উপজেলায়। তিনি আরও জানান, পাঁচজনের মধ্যে একজন মঙ্গলবার পালিয়ে ছিলেন এবং অপরজনকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। বুধবার সকালে সন্দেহভাজন একজনের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকার আইইডিসিআর-এ পাঠানো হয়েছে।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. দিলীপ কুমার রায় জানান, সরকারি নিদের্শনা অনুযায়ী হাসপাতালের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। বুধবার পিপিই পোশাক ইন্টার্নি চিকিৎসকদের প্রদান করা হয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, যশোরে করোনা ভাইরাসের বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য জেলা প্রশাসক, সেনাবাহিনী, চিকিৎসক, সেবিকা ও অন্যান্য কর্মচারী কাজ করছেন। সাধারণ মানুষকে সচেতন করাতে বিভিন্ন প্রচার-প্রচারণাসহ শহরে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে। পৌরসভা থেকে শহরের সব সড়কে ব্লিচিং পাউডার স্প্রে করা হচ্ছে।

শেয়ার