সিডনিতে হারের বৃত্তেই নিউ জিল্যান্ড

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চের শতরানের উদ্বোধনী জুটির পর দলকে টানলেন মার্নাস লাবুশেন। নিউ জিল্যান্ডকে পথ দেখাতে পারলেন না কেউ। পেসারদের দাপুটে বোলিংয়ে সিডনিতে সহজেই জিতল অস্ট্রেলিয়া।
প্রথম ওয়ানডেতে ৭১ রানে জিতে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেছে ফিঞ্চের দল। ২৫৮ রান তাড়ায় ৪১ ওভারে ১৮৭ রানে থমকে গেছে নিউ জিল্যান্ড।
সেই ২০০২ সালে সিডনিতে কোনো ওয়ানডে জিতেছিল নিউ জিল্যান্ড। এরপর থেকে এখানে ফল হওয়া সব ম্যাচেই হেরেছে দেশটি।
শুক্রবার টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ওয়ার্নার ও ফিঞ্চের ব্যাটে শুরুটা ভালো করে অস্ট্রেলিয়া। দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দুই ওপেনার দলকে দাঁড় করান দৃঢ় ভিতের ওপর।
লকি ফার্গুসনের গতিময় শর্ট বলে ভাঙে ১২৪ রানের উদ্বোধনী জুটি। মিড অনে ইশ সোধির হাতে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় ওয়ার্নারের ইনিংস। ৮৮ বলে নয় চারে ৬৭ রান করেন তিনি।
পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর বেশি দূর যেতে পারেননি ফিঞ্চ। অধিনায়ক দুই ছক্কা ও তিন চারে ৭৫ বলে করেন ৬০ রান। স্টিভ স্মিথ, ডার্সি শর্টের দ্রুত বিদায়ের পর দলকে টানেন লাবুশেন। ৫২ বলে দুই চারে এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান করেন ৫৬ রান। মিচেল মার্শ, প্যাট কামিন্সের ছোট ছোট অবদানে আড়াইশ ছাড়ায় অস্ট্রেলিয়ার সংগ্রহ।সোধি ৫১ রানে নেন ৩ উইকেট। মিচেল স্যান্টনার ও ফার্গুসন নেন দুটি করে উইকেট।
দক্ষিণ আফ্রিকায় হোয়াইটওয়াশড হওয়া অস্ট্রেলিয়া জয়ে ফেরে বোলারদের মিলিত অবদানে। মার্শ ও কামিন্স নেন তিনটি করে উইকেট। দুটি করে উইকেট নেন জশ হেইজেলউড ও অ্যাডাম জ্যাম্পা।
শুরু থেকে নিয়মিত বিরতিতে উইকটে হারায় নিউ জিল্যান্ড। থিতু হয়েও ইনিংস বড় করতে পারেননি কেন উইলিয়ামসন। জ্যাম্পার দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়ে যান নিউ জিল্যান্ড অধিনায়ক।
এক প্রান্ত আগলে রাখা মার্টিন গাপটিলের প্রতিরোধ ভাঙেন কামিন্স। একটি করে ছক্কা ও চারে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন সফরকারী ওপেনার।
৯৬ রানে ৫ উইকেট হারানো দলকে কিছুটা টানেন টম ল্যাথাম ও কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম। ল্যাথামের বিদায়ের পর আর তেমন কোনো জুটি গড়তে পারেনি নিউ জিল্যান্ড। গুটিয়ে যায় ৯ ওভার বাকি থাকতে। অলরাউন্ড নৈপুণ্যের জন্য ম্যাচ সেরার পুরস্কার জেতেন মিচেল মার্শ। একই ভেন্যুতে রোববার হবে দ্বিতীয় ওয়ানডে।

শেয়ার