এমএম কলেজের আসাদ হলের সামনে পুলিশকে মারপিটের ঘটনায় মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সরকারি এমএম কলেজের আসাদ হলের সামনে সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশ সদস্যকে মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় আটক ৭জনসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো, মাগুরার শালিখা উপজেলার পাথরঘাটা গ্রামের রায়হান মোল্যার ছেলে আক্তার হোসেন, যশোরের মণিরামপুর উপজেলার বালিয়াদাহ গ্রামের কেসমত আলীর ছেলে মেহেদী হাসান শাওন, শহরের খড়কী পীরবাড়ি এলাকার আনছারুলের ছেলে রমজান, লুৎফর রহমানের ছেলে খায়রুজ্জামান লিপ্টন, বাঘারপাড়া উপজেলার হুলিহট্টা গ্রামের সুজন বিশ্বাসের ছেলে শিমুল হোসেন, পাঠান পাইকপাড়ার শাহজাহানের ছেলে বাশার খান, শার্শা উপজেলার পান্তাপাড়ার কুতুব উদ্দিনের ছেলে আশিকুর রহমান আপন।
এছাড়া এ মামলার পলাতক আসামিরা হলো, সরকারি এমএম কলেজের ভূগোল বিভাগের ছাত্র চৌগাছার আশিকুর রহমান, আসাদ হলের ছাত্র উজ্জল হোসেন, রাশেদ হোসেন, সম্রাট এবং রাকিব।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে এমএম কলেজে মেয়েলি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাদ্দাম নামে এক ছাত্রকে মারধর করা হয়। সাদ্দাম ওই কলেজে মাস্টার্সে পড়াশোনা করেন। মারধরের কারণে তার মাথা ফেটে যায়। পরে তিনি যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উচ্ছৃঙ্খল কিছু ছাত্রদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিলে সেখানে ডিএসবিসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন অবস্থান নেন। এদিন দুপুর ২টার দিকে ডিএসবির কনস্টেবল তৌহিদ সিকদার এমএম কলেজের আসাদ হলের সামনের রাস্তায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় তিনি সন্দেহভাজন ৩ যুবককে দেখতে পেয়ে তাদের দাঁড় করিয়ে তল্লাশি করেন। এক পর্যায়ে তিনি এক যুবকের কোমরে একটি পিস্তল দেখতে পান। কিন্তু অস্ত্রধারী ওই যুবক অবস্থা বেগতিক দেখে দৌড়ে আসাদ হলের দিকে যেতে থাকেন। ডিএসবি কনস্টেবল তৌহিদও তার পিছু পিছু ছুটতে থাকেন। এ সময় আসাদ হল থেকে একদল যুবক বেরিয়ে এসে আচমকা ডিএসবি কনস্টেবল তৌহিদের উপর হামলা চালায়। তারা তাকে উপর্যুপরি কিলঘুষি মারেন। পরে এ খবর পেয়ে ডিবি পুলিশ, কোতোয়ালি পুলিশ ও ডিএসবি ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। এরপর ওই ৭জনকে আটক করা হয়।

শেয়ার