মুক্তিযোদ্ধার ‘ভুয়া সনদে’ চাকরি যশোর আদালতে আরও এক পুলিশের আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ মুক্তিযোদ্ধার ‘ভুয়া সনদপত্র’ দিয়ে বাংলাদেশ পুলিশে চাকরি নেয়ার অপরাধে যোগদানের কয়েক বছর পর দায়ের করা মামলায় পুলিশ কনস্টেবল দেবাশীষ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। মঙ্গলবার তিনি আদালতে আত্মসমর্পণের পর জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তার জামিন আদেন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। আসামি দেবাশীষ সদর উপজেলার নরসিংহকাঠি গ্রামের সাধন বিশ্বাসের ছেলে। তিনি ঢাকার এসপিবিএন কনস্টেবল ১৩৪৯২ পদে কর্মরত ছিলেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১৪ সালের ২৫ মার্চ যশোর পুলিশ লাইনে কনস্টেবল পদে মুক্তিযোদ্ধা কোঠায় নিয়োগ পান দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস। এরপর ট্রেনিং শেষে ঢাকার এসপিবিএনএ কর্মরত ছিলেন। এরই মধ্যে পুলিশ সদর দফতর মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ে চাকরিরতদের সনদপত্র যাচাই বাছাইয়ের জন্য প্রেরণ করা হয়। কিন্তু যাচাই বাছাই শেষে জানা গেল দেবাশীষ বিশ্বাসের মুক্তিযোদ্ধা সনদপত্র জালিয়াতির মাধ্যমে করা হয়েছে। সে কারণে গত ৩০ ডিসেম্বর যশোর পুলিশ লাইনের আরওআই মশিউর রহমান বাদী হয়েছে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। এতদিন পলাতক থাকলেও দেবাশীষ পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে মঙ্গলবার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। বিচারক তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, একই ঘটনায় বিভিন্ন ইউনিটের কর্মরত ১৪ পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে পৃথক মামলা করা হয়েছিল। এরমধ্যে একজন আটক হয়েছেন। একজন নারী কনস্টেবল আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। আরো চারজন কনস্টেবল ইতিপূর্বে আত্মসমর্পণ করে জেলহাজতে আটক আছেন। সর্বশেষ এদিন দেবাশীষসহ মোট ৫জন জেলহাজতে আটক রয়েছেন।

শেয়ার