পিইসি’র খাতা পুনঃনিরীক্ষণ যশোরে ৮৫৭ জনের ফল পরিবর্তন ফেল করা ৯১ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা (পিইসি) ২০১৯ খাতা পুনঃনিরীক্ষায় ৮৫৭ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৭৭ জনের। আর অকৃতকার্য থেকে কৃতকার্য হয়েছে ৯১ জনের। অন্যদের পরিবর্তন হয়েছে বিভিন্ন গ্রেড। এদিকে, ফেল করা শিক্ষার্থীরা জিপিএ-৫ পাওয়ায় পরীক্ষকদের দক্ষতা আর দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস মতে, মঙ্গলবার সকালে ফল প্রকাশ করা হয়। ২০১৯ সালে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ফলাফল গত ৩১ ডিসেম্বর প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত ফলাফলে আপত্তি ও প্রত্যাশা পূরণ না হওয়ায় দুই হাজার ৫৬৮ পরীক্ষার্থী উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষার জন্য আবেদন করে। এতে ৮৫৭ জনের ফল পরিবর্তন এসেছে। তাদের মধ্যে ফেল থেকে বিভিন্ন গ্রেডে পাস করেছে ৯১ শিক্ষার্থী।
অভয়নগর উপজেলায় ২১৯ জন আবেদন করে। তার মধ্যে পাস করেছে ৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ জন। কেশবপুর উপজেলায় ১৮৯ পরীক্ষার্থী আবেদন করে তার মধ্যে পাস করেছে ১৫ জন এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩৭ জন। চৌগাছা উপজেলায় ৮৯ আবেদনের মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৬ জন। ঝিকরগাছা উপজেলায় ২৭৬ জন আবেদনকারীর মধ্যে পাস করেছে ১০ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ৪৬ জন। বাঘারপাড়া উপজেলায় ১৫৬ আবেদনকারীর মধ্যে পাস করেছে ৭ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩১ জন। মণিরামপুর উপজেলায় ২৫৬ জন আবেদনের মধ্যে পাস করেছে ১৮ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩৭ জন। শার্শা উপজেলায় ২০৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ৭৯ জন। সদর উপজেলায় আবেদন করা ২০৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৩৫ জন এবং জিপিএ ৫ পেয়েছে ২০৯ জন। এছাড়া বাকিদের বিভিন্ন গ্রেডে ফলাফল পরিবর্তন হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শেখ অহিদুল আলম বলেন, পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বর যোগফল গণনার কারণে পুনঃনিরীক্ষার রেজাল্টে পরিবর্তন আসে। দুই হাজার ৫৬৮ পরীক্ষার্থী পুনঃনিরীক্ষণের আবেদন করে। এতে ৮৫৭ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে। পরীক্ষকদের দক্ষতার বিষয়ে প্রশ্ন উত্তরে তিনি আরো বলেন, অভিজ্ঞ পরীক্ষক দিয়ে খাতা পুনঃনিরীক্ষা করা হয়। অনিচ্ছাকৃত বা গণনায় কারণে ভুল হয়। খাতা দেখায় ভুল করা পরীক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার