কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের কর্মী সভা অনুষ্ঠিত
শেখ হাসিনার সরকারই একমাত্র দেশের উন্নয়ন করতে পারে : শাহীন চাকলাদার

এস আর সাঈদ, কেশবপুর (যশোর) থেকে॥ যশোর-৬ কেশবপুর সংসদীয় আসনে উপ-নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার বলেছেন, কেশবপুরে কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রম চলবে না, কোনো গুন্ডাবাজি চলবে না, মাদকের ব্যবসা চলবে না। দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উন্নয়ন কর্মকাণ্ড পরিচালিত হবে। চেন অব কমান্ড থাকতে হবে। কেশবপুর উপজেলাবাসী যাতে ভালো থাকতে পারে তার দেখভাল করবে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। উন্নয়ন দেবে আওয়ামী লীগ সরকার। আমরা সেই আওয়ামী লীগের সাথে থেকে উন্নয়নের কাজ করে যাবো। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। এপ্রিল মাস থেকে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা শুরু হবে। খোলা মাঠে তৃণমূলের মতামতের মাধ্যমে সভাপতি-সম্পাদক নির্বাচিত করতে হবে। নারীদের সম্মান রক্ষা করে তাদেরও প্রতিটি কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। সনাতন ধর্মের লোকদেরও প্রতিটি কমিটিতে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। যদি স্বস্তি আর শান্তি অব্যাহত রাখতে হয় তবে আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যের কোনো বিকল্প নাই। নেত্রীর দেওয়া নৌকা আগামী ২৯ মার্চ ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করতে হবে। আজ থেকে বাড়ি বাড়ি যেয়ে নৌকা মার্কায় ভোট চাইবেন। নৌকার সরকারই একমাত্র দেশের উন্নয়ন করতে পারে। তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষ এখন ধানের শীষকে পছন্দ করছে না। ধানের শীষে কেউ প্রার্থী হতে চাচ্ছে না। কারণ বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছে গেছে। হুইসেল দিয়েও তাদের প্রার্থী খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তারা জানে ভোটে দাঁড়ালে বাংলাদেশের মানুষ তাদের ভোট দেবে না। কারণ মানুষ তাদের আগুন সন্ত্রাসের কথা ভুলে যায়নি।
কেশবপুর একটি শান্তির জায়গা। কোনো অপশক্তি কেশবপুরের শান্তি নষ্ট করতে পারবে না। কেশবপুরের উন্নয়ন কি করে করতে হয়, তা আমি জানি। অতীতে যে সকল কাজ হয়নি আগামীতে সেই সকল কাজ হবে কেশবপুরে।

যারা খোলা ঘরে বসবাস করে তাদের বাসস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। আমরা চাই বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, পঙ্গু ভাতা, মাতৃত্ব ভাতা সঠিকভাবে সকলের দোরগোড়ায় পৌঁছাক। কেশবপুরে বিগত দিনে কে কাকে মেরেছে, আজ থেকে সবকিছু ভুলে যেতে হবে। আমরা কেশবপুরে কোনো মারামারি গ্যানজাম দেখতে চাই না। যদি কেউ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নির্বাচনোত্তর কিভাবে আপনাদের মূল্যায়ন করতে হয় আমি তার প্রমাণ করে দেব। কেশবপুরে আমরা ঐক্যবদ্ধ থেকে সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যাবো, উন্নয়ন করবো এবং জনগণের কল্যাণে কাজ করবো। উন্নয়নের কান্ডারী হলেন শেখ হাসিনা। আগামী ২৯ মার্চ নৌকা বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।
গতকাল বিকালে কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্থানীয় পাবলিক ময়দানে বিশাল কর্মীসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমিনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গাজী গোলাম মোস্তফার পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কাজী রফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি অ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম পিটু, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহিত কুমার নাথ, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি সদস্য গৌতম রায়, পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী রাবেয়া ইকবাল, উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক কাজী আজাহারুল ইসলাম মানিক প্রমুখ।

কর্মীসভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি আব্দুল মজিদ, সহসভাপতি একেএম খয়রাত হোসেন, সহসভাপতি আব্দুল খালেক, সহসভাপতি গোলাম মোস্তফা, যুগ্মসম্পাদক বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম আফজাল হোসেন, ঝিকরগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলাম মনির, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান শাহারুল ইসলাম, যশোর শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস.এম. মাহামুদ হাসান বিপু, মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার ওলিয়ার রহমান, যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী, কেশবপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পৌর কাউন্সিলর শেখ এবাদাত সিদ্দিক বিপুল, সাংগঠনিক সম্পাদক সাগরদাঁড়ী ইউপি চেয়ারম্যান কাজী মুস্তাফিজুল ইসলাম মুক্ত, সুফলাকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ মাস্টার, মঙ্গলকোট ইউপি চেয়ারম্যান মনোয়ার হোসেন, পাঁজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম মুকুল, বিদ্যানন্দকাটি ইউপি চেয়ারম্যান আমজাদ হোসেন, ত্রিমোহিনী ইউপি চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান আনিস, সাতবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শামসুদ্দিন দফাদার, গৌরীঘোনা ইউপি চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান হাবিব, মণিরামপুর উপজেলার শ্যামকুড় ইউপি চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনি, দুর্বাডাঙ্গা ইউপি চেয়ারম্যান মাযহারুল আনোয়ার, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মিলন মিত্র, যুগ্ম-আহ্বায়ক পৌর কাউন্সিলর জামাল উদ্দীন সরদার, উপজেলা কৃষকলীগের সভাপতি সৈয়দ নাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র দত্ত, উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ খাতুন, উপজেলা যুব মহিলালীগের সভানেত্রী ইতি রাণী দে, সাংগঠনিক সম্পাদক রেহেনা ফিরোজ, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান মুকুল, জাকির হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার