সিঙ্গাপুরে আরও দুই বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত

সমাজের কথা ডেস্ক॥ কভিড-১৯ রোগী বেড়েই চলেছে সিঙ্গাপুরে। নভেল করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন আরও আটজন, যার মধ্যে দুজন বাংলাদেশি।

এর আগে সিঙ্গাপুরে থাকা দুই বাংলাদেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হন, এখন এই সংখ্যা বেড়ে চারে দাঁড়াল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশটিতে মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮।

সিঙ্গাপুরের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে উদ্ধৃত করে দি স্ট্রেইটস টাইমস পত্রিকা বৃহস্পতিবার আরও আটজনের মধ্যে করোনাভাইরাস সংক্রমণের খবর জানায়।

এদের মধ্যে আক্রান্ত দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের বয়স ৩০ ও ৩৭ বছর। তারা দুজনই সেলেটার অ্যারোস্পেসের হাইটসের কাজ করেন।

এর আগে যে দুই বাংলাদেশি আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের কর্মস্থলও একই এলাকায়। অর্থাৎ এই এলাকার চারজনের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটল।

বাংলাদেশি একজন গত ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে অসুস্থ ছিলেন, পরীক্ষায় বৃহস্পতিবার তার দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। আগে আক্রান্ত দুই ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছিলেন এই বাংলাদেশি।

তিনি বলছেন, অসুস্থ হওয়ার পর থেকে তিনি ক্যাম্পবেল লেইনের ভাড়া বাসার মধ্যেই ছিলেন।
সিঙ্গাপুরে নতুন যে আটজন কফিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের কারও সাম্প্রতিক সময়ে চীনে ভ্রমণের ইতিহাস নেই, যে দেশটির উহান শহর থেকে নভেল করোনাভাইরাস ছড়িয়ে আতঙ্কের জন্ম দিয়েছে বিশ্বব্যাপী।

আক্রান্ত আটজনকে সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল সেন্টার ফর ইনফেকশনাল ডিজিজেসে আলাদাভাবে রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে দি স্ট্রেইটস টাইমস।

এই আটজনের মধ্যে পাঁচজন একটি গির্জায় গিয়ে ভাইরাস সংক্রমণের শিকার হন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তারা সবাই সিঙ্গাপুরি, এর মধ্যে সিঙ্গাপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপকও রয়েছেন।

বাকি তিনজনের মধ্যে বাংলাদেশি দুজন বাদে অন্য সিঙ্গাপুরের পরিবারের একজন আগেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

পূর্ব এশিয়ার দ্বীপ দেশ সিঙ্গাপুরে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৩০ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন বলে ধারণা করা হয়।

তাদের নতুন এ করোনাভাইরাস থেকে সতর্ক থাকতে এবং প্রয়োজনে হাই কমিশনে যোগাযোগ করার পরামর্শ দিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এম জে এইচ জাবেদ।

সিঙ্গাপুরে গত ২৩ জানুয়ারি করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী ধরা পড়ে।

শেয়ার