সাতক্ষীরায় ৫ জনের বিরুদ্ধে প্রেসক্লাব সভাপতির মামলা

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি॥ ইলেকট্রনিক জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণা ও আক্রমনাত্মক অপরাধের অভিযোগে সাতক্ষীরার খলিলুল্লাহ ঝড়–সহ পাঁচ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করেছেন সাতক্ষীরা প্রেসক্লাব সভাপতি অধ্যক্ষ আবু আহমেদ।
সাতক্ষীরা সদর থানায় গত ১১ ফেব্রুয়ারি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন ২০১৮ এর ২২/২৩/২৫/২৯/৩৫ ধারায় মামলাটি রেকর্ড করা হয় (মামলা নম্বর ২৮)।
এতে আসামি করা হয়েছে সাতক্ষীরা শহরের সুলতানপুর গ্রামের গোলাম খয়বার সরদারের ছেলে খলিলুল্লাহ ঝড়–, একই এলাকার শেখ ধলু ডাক্তারের ছেলে তৌহিদুর রহমান ডাবলু, মুনজিতপুরের সেলিম হোসেনের ছেলে জিয়াউর বিন যাদু, রসুলপুরের মুনছুর ফকিরের ছেলে মহাসিন হোসেন বাবলু ও কালিগঞ্জের মৌতলা কাজী বাড়ির কাজী সাইফুল্লাহর ছেলে কাজী আতিককে।
মামলার বিবরনে বাদী মুক্তিযোদ্ধা সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবের কয়েকবারের নির্বাচিত ও বর্তমান সভাপতি জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক, দৈনিক কালের চিত্র পত্রিকার সম্পাদক ও সাতক্ষীরা সিটি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু আহমেদ উল্লেখ করেন যে আসামি চক্রটি তাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করে আসছিল।
সম্প্রতি ১ নম্বর আসামি তার খলিল উল্লাহ ঝড়– নামক ফেসবুক আইডিতে বাদীর এবং এই মামলার সাক্ষী হুমায়রা পিতা গোলাম কাদের গ্রাম শাল্যে এর ছবিসহ একটি কথিত জাল নিকাহনামা প্রদর্শন করে গত ২০১৬ এর ৫ মে তারিখে তাকে বিয়ে করেছেন মর্মে একটি মিথ্যা ভুয়া উদ্দেশ্যমূলক ও কল্পনাপ্রসূত পোস্ট দিয়েছেন। এছাড়া অন্য আসামিরা তাদের ফেসবুক আইডির মাধ্যমে তা শেয়ার করে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্যটি প্রচার করে বাদির সম্মানহানি ঘটিয়েছেন। প্রকৃতপক্ষে বাদি ওই নারীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হননি।
বাদি তার মামলায় আরও উল্লেখ করেন যে পোস্টকৃত কাবিননামাটিতে প্রকৃতপক্ষে বরের নাম মো. মাহতাবউদ্দিন পিতা আমিনউদ্দিন মোল্লা মাতা জরিনা খাতুন, গ্রাম বাদঘাটা, পোস্ট নকিপুর, শ্যামনগর। জালিয়াতির মাধ্যমে মাহতাবউদ্দিনের স্থলে বাদির নাম হুমায়রার ছবি দিয়ে প্রতারনার আশ্রয় নিয়ে আসামিরা বাদির সামাজিক মানহানি ঘটিয়েছেন।
মামলায় পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে ইলেকট্রনিক জালিয়াতির মাধ্যমে প্রতারণা, আক্রমনাত্মক, মানহানিকর, মিথ্যা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনমুলক তথ্য প্রকাশ, প্রচার ও অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়েছে। এ মামলায় সাক্ষী হয়েছেন গাজি হাবিব রহমান, হাবিবুল বাশার সরদার, মেহেদি আলি সুজয়, বিবাহ রেজিস্ট্রার শেখ মাহবুবুর রহমান ও শাল্যে গ্রামের হুমায়রা।

শেয়ার