‘মাটি কেনাবেচা নিয়ে বিরোধে খুন হয় জনি’

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুরে মাটি কেনাবেচার দ্বন্দ্বে জনি হোসেন খুন হয়েছে বলে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে দুই আসামি। এরা হলেন, সদর উপজেলার ঘোড়াগাছা গ্রামের সঞ্জুয় পালের ছেলে সুজন কুমার পাল ও গোপালপুর গ্রামের ওয়াজেদ আলী গাজীর ছেলে আলামিন হোসেন। বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা বসু জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাদেরকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, মণিরামপুর উপজেলার তারুয়া পশ্চিমপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে জনি হোসেন গত ৯ ডিসেম্বর রাতে সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর গ্রামের খুন হন। এ ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন। পুলিশ ওই মামলায় সুজন কুমার ও আলামিন হোসেনকে আটকের পর বৃহস্পতিবার আদালতে সোপর্দ করে। এ হত্যাকা-ে তারা জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে। জবানবন্দিতে বলেছে মাটির বেচাকেনা নিয়ে বিরোধে জনি খুন হয়েছে।
এ মামলার অন্য আসামিরা হলো, সদর উপজেলার চাউলিয়া গ্রামের মৃত মনোয়ার ওরফে মনির ছেলে শাহিন আলম, হাশেম মোয়াজ্জিনের ছেলে মর্তুজা, একই গ্রামের বাসির, আবুল খায়ের বিশ্বাসের নাতি ছেলে তৌফিক, হাশেম মোয়াজ্জিনের নাতি রেজোয়ান, নরেন্দ্রপুর পোস্ট অফিস পাড়ার নওশের আলী গাজীর ছেলে সবুজ হাসান, নরেন্দ্রপুর মোল্যাপাড়ার দবিরের ছেলে সুমন, জালালের ছেলে সাগর, কচুয়া গ্রামের নয়ন, চাউলিয়া গ্রামের ছাগল ব্যবসায়ী বাবুর ছেলে ইমামুল, মুন্না, অনিক, ঘোড়াগাছা কলেজের পেছনের গৌর সাহার ছেলে মিলন, চাউলিয়া গ্রামের শফি গাজীর ছেলে মুন্না, রূপদিয়া বাজার বটতলা এলাকার আলী আকবরের ছেলে আরমান, মুনছেফপুর খান পাড়ার নিশান, গোপালপুর দফাদার পাড়ার ওলিয়ার রহমানের ছেলে মনিরুল ইসলাম মনির, কচুয়া গ্রামের আরিফ, ঘোড়াগাছা সাহাপাড়া কলেজের পেছনের সাধন দাসের ছেলে প্রান্ত, রূপদিয়া বাজারের তুহিন নরেন্দ্রপুর গ্রামের মোড়ল পাড়ার গোলাম মোস্তফার ছেলে রাসেল, এবং ঘোড়াগাছা কলেজের পেছনের দুলালের ছেলে সোহাগ।

শেয়ার