গোলাম মোস্তফা ছিলেন আ’লীগের একজন কর্মীবান্ধব নেতা: স্বপন ভট্টাচার্য্য

নিজস্ব প্রতিবেদক, মণিরামপুর ॥ এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য বলেছেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের বারবার নির্বাচিত প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ছিলেন কর্মী বান্ধব নেতা। তিনি আওয়ামী লীগের দুর্দিনের কান্ডারি ছিলেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে ত্যাগ স্বীকার করে গেছেন। উপজেলা আওয়ামী লীগকে করে গেছেন সুসংঠিত। দল ও দলের নেতাকর্মীসহ সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনা করতেন তিনি। এ কারণেই নিজেকে নেতাকর্মীদের কাছে একজন জনপ্রিয় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছিলেন। তার অবদান ও আদর্শের পথ ধরে সকল নেতাকর্মীকে আওয়ামী লীগকে সুসংঠিত করে জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে। শুক্রবার বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত গোলাম মোস্তফার ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি কাজী মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ফজলুর রহমানের পরিচালনায় স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন প্রয়াত গোলাম মোস্তফার কনিষ্ঠ পুত্র উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ, জিএম মজিদ, আব্দুর রাজ্জাক, অজিত কুমার ঘোষ, অ্যাড. বশির আহম্মেদ খান, পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক প্রয়াত গোলাম মোস্তফার জেষ্ঠ্য ছেলে পৌর সভার প্যানেল মেয়র-১ কামরুজ্জামান কামরুল, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ভাইস চেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী জলি আক্তার, জেলা পরিষদের সদস্য গৌতম চক্রবর্তী, ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মাদ আলী, আব্দুল হামিদ, মশিয়ূর রহমান, শেখর চন্দ্র রায়, মনিরুজ্জামান, গাজী মাযাহারুল আনোয়ার, ঢাকুরিয়া ইউপির উপ-নির্বাচনের দলীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী এরশাদ আলী সরদার, আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম মোড়ল, হিন্দু-বৈদ্ধ খিষ্টান এক্য পরিষদের আহবায়ক তপন কুমার বিশ্বাস পবন, উপজেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, জামাল হোসেন, প্রভাষক মামুন অর রশিদ জুয়েল, ছাত্রলীগ নেতা হাদিউজ্জামানসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। প্রয়াত এ নেতার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে দলীয়ভাবে ছাড়াও পারিবারিকভাবে দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। এছাড়া মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার