যশোরে কৃষক শাহ আলম হত্যাকাণ্ড মূল আসামি আরমানের আদালতে আত্মসমর্পণ

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের কৃষক শাহ আলম খুনের মূল আসামি আরমান সিকদার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বুধবার আদালতে আত্মসমর্পণের পর বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট গৌতম মল্লিক তার জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। এর আগে তিনি হাইকোর্ট থেকে চার সপ্তাহের অর্ন্তবর্তীকালিন জামিন নিয়েছিলেন। আরমান সিকদার সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামের এবিএম আসাদুজ্জামানের ছেলে।
জানা গেছে, যশোর সদর উপজেলার কচুয়া গ্রামের মধ্যপাড়ার আলহাজ মোতাসিন খলিফার ছেলে শাহ আলম ওরফে সাইলাম। গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে শাহ আলমের সাথে একই গ্রামের জিল্লুর রহমান হামিদপুর-কচুয়া গ্রামের মাঝে পাগলার বিলের মাঠে ধানে পানি দিতে যান। দুইজন একই সাথে পানি দেয়া শেষে রাত দেড়টার দিকে বাড়ি ফিরছিলেন। পথিমেধ্য ওই মাঠেই হামিদপুর গ্রামের আসাদের মাছের ঘেরের পাড়ের উপর দিয়ে যাওয়ার সময় আরমানের নেতৃত্বে কয়েকজনে তাদের দুইজনকেই এলোপাতাড়ি মারপিট করে। শুধু তাই নয় শাহ আলমকে পায়ে রশি বেধে মাথা নিচের দিকে করে একটি মেহগনি গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখে। খবর পেয়ে বাড়ি থেকে লোকজন এসে শাহ আলমকে মৃত এবং তার সাথে থাকা জিল্লুর রহমানকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পরিবারের লোকেরা।
এঘটনায় নিহতের পিতা আলহাজ মোতাসিন খলিফা বাদী হয়ে ২৩ সেপ্টেম্বর আরমানের নাম উল্লেখ পূর্বক অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা করেন।
এ মামলার প্রধান আসামি আরমান সিকদার কিছু দিন পলাতক থাকার পর মহামান্য হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়েছিলেন। ওই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গতকাল বুধকার আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। বিচারক জামিন না মঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। এর আগে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই পলাশ বিশ্বাস তপু হোসেন এক যুবককে গ্রেপ্তার করেন। এ হত্যাকা-ে জড়িত থাকা এবং তার সহযোগীদের নাম উল্লেখ করে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

শেয়ার