খুলনায় ২ পাসপোর্ট দালালের ২ দিনের কারাদণ্ড

সমাজের কথা ডেস্ক॥ খুলনায় পাসপোর্ট অফিসে হয়রানি করার অভিযোগে দুই দালালকে দুই দিনের কারবাসের দণ্ড দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার বেলা ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত খুলনা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযানের পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের সাজা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দুদক। সাজাপ্রাপ্ত ফিরোজ নগরীর ছোট বয়রা এলাকার স্বর্ণালী কলোনির আবুল শিকদারের এবং মিল্টন একই এলাকার সোহরাব হোসেনের ছেলে। ফিরোজ ও মিলটনকে দুই দিনের কারাদ-ের সাথে আড়াই হাজার টাকা করে জরিমানাও করা হয়েছে। দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক নাজমুল ইসলাম জানান, দুদকের হেল্পলাইন ১০৬ নম্বরে ফোন করে পাসপোর্ট অফিসে ভোগান্তির অভিযোগ করেন কয়েকজন সেবাপ্রার্থী। ঢাকায় কমিশনকেও বিষয়টি জানানো হয়। পরে কমিশন থেকে পাসপোর্ট অফিসে অভিযান চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। “সোমবার সকালে সেবাপ্রার্থী সেজে পাসপোর্ট অফিসে আসে দুদকের সদস্যরা।” তিনি জানান, দালাল মিল্টন ও ফিরোজকে আটকের পর স্বীকার করেন আনসার সদস্য ফরমান ও রবিউল ইসলামের মাধ্যমে উচ্চমান সহকারী হোসনে আরাকে ঘুষ দিয়ে পাসপোর্ট তৈরি করেন তারা। এক্ষেত্রে ৩ হাজার ৪৫০ টাকার স্থলে সাড়ে ৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হয়। অভিযানের সময় নৈশপ্রহরী আজহারুল ইসলামের কাছে ৬৩টি ডেলিভারি স্লিপ উদ্ধার করে বলে জানান তিনি। দুদকের টিম কয়েকজন সেবাপ্রার্থীকে ফোন করলে তারা জানান, প্রতিটি স্লিপের বিপরীতে তারা সাড়ে ৫ হাজার টাকা থেকে ৬ হাজার টাকা পরিশোধ করেছেন। নাজমুল আরও জানান, আনসার সদস্য ফরমান সরদার ও রবিউল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী হোসনে আরা খাতুন এবং নৈশপ্রহরী আজহারুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে দুদক।
তবে বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ রয়েছে দুদকের অভিযান পরিচালনা টিমের সদস্যদের। এ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান খান।

 

শেয়ার