বাগেরহাটে স্কুলের দপ্তরীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি ॥ বাগেরহাটে বারুইপাড়া পিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরীর বিরুদ্ধে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী রবিবার বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০/ সংশোধিত ০৩ এর ৯(১) ধারায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামি ইমরান মোড়ল ফকিরহাট উপজেলার পাইকপাড়া গ্রামের ইলিয়াচ মোড়লের পুত্র।
মামলার এজাহারে জানা যায়, বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া পিসি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম এক শ্রেণির একছাত্রী ফুফু বাড়ি থেকে লেখাপড়া করে আসছিল। গত ২৩ অক্টোবর স্কুল ছুটি হওয়ার পর দপ্তরী ইমরান মোড়ল জরুরী কথা আছে বলে বসিয়ে রাখেন। স্কুলের ছাত্র ছাত্রীরা চলে যাওয়ার পর ইমরান মোড়ল তাকে জোর করে টেনে স্কুলের ২য় তলায় নিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তার দাদিকে জানায়। পরের দিন বৃহস্পতিবার লম্পট ইমরান মোড়লের বিরুদ্ধে স্কুলের প্রধান শিক্ষক বরাবর লিখিত অভিযোগ করে ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘটনাটি জানায়। প্রধান শিক্ষক বিষয়টি মিমাংসার আশ^াস দিয়ে কাল ক্ষেপন করতে থাকেন। গত ২৮ নভেম্বর প্রধান শিক্ষক তার এখতিয়ার ভুক্ত নয় বলে ভুক্তভোগীকে জানান। এদিকে ইমরান মোড়ল তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেছে বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে লজ্জায় লোক সম্মুখে বের হতে পারছে বলে মামলার এজাহারে জানান।
প্রধান শিক্ষক শেখ হামিজ উদ্দিন বলেন, গত ২৪ অক্টোবর নবম শ্রেণির এক ছাত্রী দপ্তরীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ করে। ২৮ অক্টোবর আমরা জরুরী মিটিং করে তাকে কারন দর্শনো নোটিশ প্রদান করি। নোটিশের জবাব দেয়ার পর বিষয়টি ছাত্রীর পরিবারকে জানানো হয়।
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান সরোয়ার মোড়ল জানান, ২৪ অক্টোবর অভিযোগ শোনার পরই ছাত্রীর অবিভাবককে বলেছিলাম ঘটনার তদন্ত করা বা শালিসী করার এখতিয়ার আমার নেই। প্রশাসনের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছিলাম ছাত্রীর পরিবারকে।
এ ব্যাপারে বাগেরহাট মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাতাব উদ্দিন বলেন, আমি লোক মুখে ঘটনার কথা শুনেছি। কোর্টে মামলার ব্যাপারে এখনও আমি কোন তথ্য পায়নি।

শেয়ার