ব্রেক্সিট: ট্রাম্পের সমালোচনা জবাব দিল যুক্তরাজ্য

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনার জবাব দিয়েছে যুক্তরাজ্য সরকার।
ট্রাম্প এ চুক্তির সমালোচনায় বলেছিলেন, এর কারণে যুক্তরাজ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভবিষ্যতে বাণিজ্য চুক্তি করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাজ্যে নির্বাচনী প্রচারের মধ্যে ট্রাম্প জনসনের ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে এ সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “আমরা যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চাই এবং তারাও আমাদের সঙ্গে বাণিজ্য করতে চায়।”
তবে তিনি বলেন, “সত্যি বলতে কি এই চুক্তি, এই ব্রেক্সিট চুক্তির কয়েকটি দিক দেখলে এর আওতায় এটি করা সম্ভব নয়… বাণিজ্য করা সম্ভব হবে না।”
কিন্তু ট্রাম্পের এ কথার পরিপ্রেক্ষিতে যুক্তরাজ্যের ডাউনিং স্ট্রিটের মুখপাত্র পরে ব্রেক্সিট চুক্তির পক্ষে সাফাই দিয়ে বলেছেন, “এর আওতায় যুক্তরাজ্য বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন দেশের সঙ্গে নিজস্বভাবে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি করতে পারবে এবং এ থেকে যুক্তরাজ্যের প্রতিটি অঞ্চলই উপকৃত হবে।”
ব্রিটিশ হাউজিং সেক্রেটারি রবার্ট হেনরিকও বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী জনসন পরিকল্পনা করে একটি ‘ভাল চুক্তি’ করেছেন।
সম্প্রতি ব্রেক্সিট চুক্তি নিয়ে ইইউ-যুক্তরাজ্য সমঝোতা হলেও ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তা এখনো অনুমোদন পায়নি। প্রস্তাবিত খসড়া নিয়ে জনসনের পক্ষ থেকে আলোচনা তিন দিনের মধ্যে শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব পার্লামেন্টে তোলা হলেও তা ভোটে নাকচ হয়েছে। ফলে জনসনকে ইইউ এর পরবর্তী পদক্ষেপের অপেক্ষায় থাকতে হয়।
গত সোমবার ইইউ ব্রেক্সিটের সময় ৩১ অক্টোবর থেকে ৩ মাস বাড়িয়ে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি নির্ধারণ করেছে। ফলে যুক্তরাজ্যও এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনে যাচ্ছে। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জনসন নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে পার্লামেন্টে তার ব্রেক্সিট চুক্তি পাস করিয়ে নিতে পারবেন বলে আশা করছেন।
অন্যদিকে, বিরোধীদলীয় লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন নির্বাচনে জিতলে ব্রেক্সিট নিয়ে আরেকটি গণভোট করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

শেয়ার