ফাহাদ হত্যাকারীদের কঠিনতম শাস্তির প্রতিশ্রুতি

# ‘মাস্তানি’ চলবে না, হলগুলোতে তল্লাশির নির্দেশ’
# ‘বুয়েট চাইলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে’
# ‘ভারতে এলপিজি যাবে, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়’
# ‘ফেনী নদী থেকে দেয়া হবে নগন্য পরিমাণ পানি’

সমাজের কথা ডেস্ক॥ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে যারা ‘পিটিয়ে পিটিয়ে অমানবিকভাবে’ হত্যা করেছে, তাদের কঠিনতম শাস্তি হবে।
বুধবার গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “কেউ যদি কোনো অপরাধ করে, সে কোন দল, কী করে না করে, আমি কিন্তু সেটা দেখি না। আমার কাছে অপরাধী অপরাধীই। আমরা অপরাধী হিসেবেই দেখি।”
তবে ফাহাদ হত্যাকা-ের পর বুয়েট শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ থেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের যে দাবি উঠেছে, তা নাকচ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তবে তিনি বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বুয়েট তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে। ছাত্রলীগের একদল নেতা-কর্মীর নির্যাতনে আবরারের মৃত্যুর পর বুয়েট শিক্ষার্থীদের আন্দোলন থেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবিও উঠেছে।
তবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘মাস্তানিতে’ জড়িতদের ধরতে সারা দেশের সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশির কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এই অভিযানে কারও দলীয় পরিচয় দেখা হবে না বলেও হুঁশিয়ার করেছেন তিনি।
রোববার সন্ধ্যায় বুয়েটের তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও শেরে বাংলা হলের আবাসিক ছাত্র আবরারকে ডেকে নিয়ে যায় হলের কিছু ছাত্রলীগ নেতা। শিবির সন্দেহে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও নির্যাতনের এক পর্যায়ে গভীর রাতে হলেই তার মৃত্যু হয়।
দীর্ঘ সাড়ে ছয় ঘণ্টা আবরারের ওপর কীভাবে নির্যাতন চালানো হয়েছে, ছাত্রলীগ কর্মীরা মাতাল অবস্থায়ী কীভাবে ক্রিকেট খেলার স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পিটিয়েছে, সেই বিবরণ ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমে এসেছে।
ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তি নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এলপিজি রপ্তানি করবে, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়; এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিরও কোনো অবকাশ নেই। আর ফেনী নদীর পানি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘একটি অঞ্চলের মানুষের খাবার পানির চাহিদা মেটাতেই ওই পানিটুকু দেওয়া হচ্ছে এবং এর পরিমাণ খুবই নগণ্য।’
বুধবার বিকালে গণভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের সঙ্গে করা চুক্তি নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আবরার ফাহাদ হত্যাকা- প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ নৃসংসতা কেন? এই জঘন্য কাজ কেন? এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি। যতরকমের উচ্চ শাস্তি আছে সেটা দেওয়া হবে। কোন সন্দেহ নেই। দল-টল বুঝি না। অপরাধের বিচার হবেই।”
আওয়ামী লীগের কেউ এ ধরনের ঘটনা ঘটাবে, তা কখনোই মেনে নেবেন না মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ঘটনা জানার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকে বলেছেন, জড়িতদের যেন বহিষ্কার করা হয়।
“এখানে আমি বিবেচনা করব না কিসের ছাত্রলীগ। অপরাধী অপরাধীই। অন্যায় করেছে, সে অন্যায়কারী। তার বিচার হবে। কারও দাবি-টাবির অপেক্ষায় থাকি না। আগেই আমি নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি। গ্রেপ্তার হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কে ছাত্রলীগ, কে ছাত্রদল কে, কী করে আমি সেটা বিবেচনা করিনি। আমি বিবেচনা করেছি-অন্যায়ভাবে একটা বাচ্চা ছেলে ২১ বছরের ছেলে পিটিয়ে পিটিয়ে-কি অমানবিক!’
শেখ হাসিনা বলেন, “স্বাভাবিকভাবে এটা সন্দেহের বিষয়। এরা কারা? হ্যাঁ, ক্ষমতায় থাকলে অনেকে দল করতে আসে। কিছু লোকতো আছে পার্মানেন্ট গভর্মেন্ট পার্টি -এরকম কিছু থাকে। যারা এ ধরনের ঘটনা ঘটায় তারা আমার পার্টির এটাতো আমি কখনোই মেনে নেব না। আমি সঙ্গে সঙ্গে ছাত্রলীগকে ডেকেছি। সবগুলোকে বহিষ্কার করতে বলেছি। পুলিশকে বলেছি অ্যারেস্ট করতে।”
কারা পুলিশকে ফুটেজ নিতে বাধা দিয়েছে, তা খুঁজে দেখতে বলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ফুটেজ হাতে পাওয়ার পর বেছে বেছে বের করতে পুলিশের জন্য সুবিধা হয়েছে। এটা একটু খোঁজ করেন, কেন বাধা দেওয়া হল। তিনটে ঘণ্টা সময় কেন নষ্ট করল? আমি জানি না এর উত্তর আছে কিনা। আন্দোলনই বা কিসের জন্য? বিচার হবেই।”
তবে বিক্ষোভ থেকে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের যে দাবি উঠেছে, তা নাকচ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বুয়েট তাদের ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করতে পারে।
এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, “আর একটা ঘটনা ঘটেছে বলে দাবি উঠাবে যে ছাত্র রাজনীতি ব্যান। আমি নিজেই যেহেতু ছাত্র রাজনীতি করে এসেছি। সেখানে আমি ছাত্র রাজনীতি ব্যান বলব কেন?”
বাংলাদেশে ছাত্র আন্দোলনের উজ্জ্বল ইতিহাস তুলে ধরে তা কলুষিত করার জন্য সামরিক শাসকদের দায়ী করেন আওয়ামী লীগ সভানেত্রী।
তিনি বলেন, “নষ্ট রাজনীতি যেটা, সেটা তো আইয়ুব খান শুরু করে দিয়েছিল, আবার জিয়াউর রহমান এসে শুরু করলো একইভাবে এবং দুইজনের ক্ষমতা দখলের চরিত্র একই রকম।”
শেখ হাসিনা বলেন, “আর ছাত্ররাজনীতি বন্ধের কথা বলেন। আসলে এই দেশের প্রতিটি সংগ্রামের অগ্রণী ভূমিকা কিন্তু ছাত্ররাই নিয়েছেন।
“এই যে একটা সন্ত্রাসী ঘটনা বা এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই তো সংগঠন করা নিষিদ্ধ আছে। বুয়েট যদি মনে করে তারা সেটা নিষিদ্ধ করে দিতে পারে। এটা তাদের উপর। “কিন্তু একবারে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ ব্যান করে দিতে হবে, এটা তো মিলিটারি ডিক্টেটরদের কথা। আসলে তারা এসে তো সবসময় পলিটিকস ব্যান- স্টুডেন্ট পলিটিক্স ব্যান তারাই করে গেছে।”
বাংলাদেশে রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছাত্র রাজনীতি থেকেই উঠে এসেছে বলে মন্তব্য করেন শেখ হাসিনা।
“আমি ছাত্র রাজনীতি করেই কিন্তু এখানে এসেছি।”
সরকারপ্রধান বলেন, “আমাদের দেশের অসুবিধাটা হল বারবার মিলিটারি রুলাররা এসেছে। আর এসে এসে মানুষের চরিত্র হরণ করে গেছে।”
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘মাস্তানিতে’ জড়িতদের ধরতে সারা দেশের সব কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তল্লাশির কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তরে শেখ হাসিনা বলেন, “প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল; শুধু ঢাকা না, সারা বাংলাদেশে প্রত্যেকটা জায়গায় সার্চ করা হবে। সেই নির্দেশটাও আমি দিয়ে দেব।”
উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “এখানে আমি আপনাদের মাঝেই বলে দিচ্ছি, সেটা করব করব। আপনাদের সহযোগিতা চাই।
“আপনারা বের করে দেন যে, কোথায়, কারা এই ধরনের অনিয়ম, উছৃঙ্খলতা করছে। কোনও দল টল আমি বুঝি না। পরিষ্কার কথা, কোনও দল আমি বুঝি না।”
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিটি ছাত্রের পেছনে সরকারি অর্থ খরচের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সামান্য টাকা-১০ টাকা, ২০ টাকা, ৩০ টাকায় সিট ভাড়ায় একেকজন রুমে থাকবে।
“আর তারপর সেখানে বসে এই ধরনের মাস্তানি করবে। আর সমস্ত খরচ বহন করতে হবে জনগনের পয়সা দিয়ে। এটা কখনও গ্রহণযোগ্য না।”
শেখ হাসিনা বলেন, “আমি আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাকে বলব। যখন এই ঘটনা একটা জায়গায় ঘটেছে এবং যখন দেখা গেছে এক রুম নিয়ে বসে-জমিদারি চাল চালানো।
“তাহলে প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি হল সব জায়গায় সার্চ করা দরকার। কোথায় কী আছে না আছে খুঁজে বের করা এবং এই ধরনের মাস্তানি কারা করে বেড়ায়, কারা এই ধরনের ঘটনা ঘটায় সেটা দেখা।”
ভারতের কাছে গ্যাস বিক্রির চুক্তি নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ এলপিজি রপ্তানি করবে, প্রাকৃতিক গ্যাস নয়; এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝিরও কোনো অবকাশ নেই।
শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা বিদেশ থেকে এলপিজি এনে প্রক্রিয়াজাত করে ভারতে রপ্তানি করব। এতে করে আমাদের ভ্যালু এড হবে। সেই গ্যাস আমরা রপ্তানি করব। এটা প্রাকৃতিক গ্যাস নয়। বরং আমাদের রপ্তনির তালিকায় নতুন একটি পণ্য যুক্ত হবে।”

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এলপিজি প্রাকৃতিক গ্যাস নয়, এটা বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় না। বিদেশ থেকে কিনে আনা অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম শোধন করার সময় বাই প্রডাক্ট হিসেবে কিছুটা এলপিজি পাওয়া যায়। আবার গ্যাস উত্তোলনের সময় কিছুটা তেল পাওয়া যায়, যা থেকে অকটেন ও পেট্রোলের পাশাপাশি সামান্য এলপিজি পাওয়া যায়।
আমাদের দেশে আগে খুব অল্প পরিমাণ এলজিপি তৈরি হত। এখন সরকার এলপিজি আমদানি করে দেশে বোতলজাত করতে ব্যবসায়ীদের উৎসাহ দিচ্ছে।
তথ্য তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, “আমরা ত্রিপুরায় যে গ্যাসটা দিচ্ছি এটা কিন্তু সেই এলপিজি, বটল গ্যাস। আমরা আমদানি করছি বাল্কে, আমরা বোতলজাত করে নিজেদের দেশে যেমন সরবরাহ করছি, সেই গ্যাসই আমরা কিছু ত্রিপুরায় দিচ্ছি। এটা হচ্ছে বাস্তবতা।”
নয়া দিল্লিতে ওই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের পর জল্পনা শুরু হয় যে, বাংলাদেশের গ্যাস সঙ্কটের মধ্যে ভারতে কেন রপ্তানি করা হবে। ওই চুক্তিকে ‘দেশবিরোধী চুক্তি’ আখ্যায়িত করে তা বাতিলের দাবি জানায় বিএনপি।
এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু মঙ্গলবার বিষয়টি স্পষ্ট করে বলেন, “বাংলাদেশের কোনও গ্যাস ভারতে রপ্তানি হবে না। বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বিদেশ থেকে এলপিজি আমদানি করে তা ভারতে রপ্তানি করবে।”
দেশের এলপিজি খাত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে বার্ষিক এলপিজির বার্ষিক চাহিদা অন্তত ১২ মিলিয়ন টন। সেখানে বর্তমানে যে অবকাঠামোগত সুবিধা রয়েছে তাতে বাংলাদেশ থেকে প্রতিমাসে অন্তত ২০ হাজার টন এলপিজি রপ্তানি সম্ভব।
ইতোমধ্যেই গত অগাস্টে বেক্সিমকো এলপিজিসহ আরও একটি প্রতিষ্ঠান ত্রিপুরায় পরীক্ষামূলকভাবে এলপিজি রপ্তানি করেছে।
ভারতের সঙ্গে করা একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় ফেনী নদী থেকে ১ দশমিক ৮২ কিউসেক পানি ত্রিপুরার একটি শহরে সরিয়ে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে, যা নিয়েও আপত্তি তুলেছে বিএনপি। এ বিষয়েও সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছিল।

উত্তর দিতে গিয়ে ফেনী নদীর উৎপত্তিস্থল ও গতিপথ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যে পানিটা ভারতে দেওয়া হবে, তার পরিমাণ ‘অত্যন্ত নগণ্য’। আর তা দেওয়া হবে ত্রিপুরা রাজ্যর সাবরুম শহরে বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ প্রকল্পে ব্যবহারের জন্য।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরার ভূমিকার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ত্রিপুরা যদি কিছু চায় তাদেরকে আমাদের দিতে হবে। ১৯৭১ সালের কথা যারা মনে রাখবেন, আমাদের দেশের মানুষ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে নির্যাতিত হয়ে ত্রিপুরায় আশ্রয় নিয়েছিল।
“তারা আমাদেরকে আশ্রয় দিয়েছিল, খাদ্য দিয়েছিল। মুক্তিযুদ্ধের সময় ত্রিপুরায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটা ঘাঁটি ছিল। ওখান থেকে যুদ্ধ পরিচালনা করা হত। ত্রিপুরা আমাদের জন্য বিরাট একটা শক্তি ছিল।”
আসামের নাগরিক পঞ্জি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসামের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত শান্তই। কোনো অসুবিধা হয় নাই। প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমি যখন জানিয়েছি, তখন উনি বলেছেন, কোনো অসুবিধা হওয়ার কথা না। যখন অসুবিধা হয়নি, তখন উদ্বিগ্ন হওয়ারও কিছু নেই।

শেয়ার