যশোরে সাড়ম্বরে নবমী উদযাপিত, আজ বিসর্জন

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ দেখতে দেখতে ফুরিয়ে এল দুর্গাপূজার দিনগুলি। তাই দেবী ভক্তদের মনে বেজে উঠেছে বিদায়ের সুর। শারদীয় দুর্গোৎসবের আজ শেষ দিন। এদিন পূজার সমাপন ও দর্পণ বিসর্জন। সন্ধ্যা আরাত্রিকের পর প্রতিমা বিসর্জন শেষে শান্তিজল গ্রহণ। আজই মর্ত্য ছেড়ে কৈলাশে স্বামী গৃহে ফিরে যাবেন দুর্গতিনাশী দেবী দুর্গা। আর পেছনে ফেলে রেখে যাবেন ভক্তদের চারদিনের আনন্দ উল্লাস আর বিজয়াদিনের অশ্রু।
এদিকে, সোমবার মহাসমারোহে পালিত হয় দুর্গাপূজার মহানবমী। শাস্ত্রমতে এই দিন দুষ্টের দমন বা অশুভকে বিনাশ করার শক্তির আরাধনা করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। মহানবমীতে হলো দেবীর অসুর বধের ক্ষণ। অসুর বধের ক্ষণে ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনের অশুভ দিকগুলো বিনাশের প্রার্থনা করেন ভক্তরা। যশোরের বিভিন্ন মন্দিরে ও মন্ডপে গভীর ভক্তিভরে শাস্ত্রীয় নানা আচার অনুষ্ঠান পালনের মধ্য দিয়ে মহা দুর্গানবমী পূজা করা হয়। দুর্গাপূজার নবমী উদ্যাপন করতে প্রচুর সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
এছাড়া গতকাল নবমীর দিন যশোর শহরের বিভিন্ন মন্দির-মন্ডপ পরিদর্শন করেন প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও রামকৃষ্ণ মিশন পূজা মন্দিরে দুর্গোৎসব পরিদর্শনে যান পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি ড. খন্দকার মহিদ উদ্দীন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন এডিশনাল ডিআইজি হাবিবুর রহমান, যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক, কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান, পূজা উদ্যাপন পরিষদের জেলা সভাপতি অসীম কুন্ডু, সাধারণ সম্পাদক যোগেশ দত্ত প্রমুখ। যশোর শহর ও শহরতলীর বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদারসহ নেতৃবৃন্দ। শহরের বাগমারা পাড়া সার্বজনীন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন সদর উপজেলা পূজা উপযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ ও শহীদ সুধীর ঘোষ পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন নাগরিক অধিকার আন্দোলনের নেতারা। আরএন রোড এলাকার পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন যশোর পৌরসভার প্যানেল মেয়র হাবিবুর রহমান চাকলাদার মনি, জাহাঙ্গীর আহমেদ শাকিল ও সন্তোষ দত্ত। শহরের বাইরে সদরের কাশিমপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজা মন্দির পরিদর্শন করেন জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও ইউপি চেয়ারম্যান মশিয়ার রহমান সাগর।

শেয়ার