সিরিয়ায় সামরিক অভিযানের হুমকি তুরস্কের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্ত থেকে সিরীয় কুর্দি যোদ্ধাদের সরিয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র যথেষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না অভিযোগ তুলে সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলে সামরিক অভিযান চালানোর ঘোষণা দিয়েছেন রিসেপ তায়েপ এরদোয়ান।

শনিবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান বলেন, সিরিয়ার ইউফ্রেতিস নদীর পূর্ব দিকে যেকোনো সময় আকাশ ও স্থল অভিযান শুরু করা হতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সিরিয়ান ডেমক্রেটিক ফোর্স (এসডিএফ) ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে আছে।

কুর্দি ওয়াইপিজি মিলিশিয়া নেতৃত্বাধীন এসডিএফ’র পক্ষ থেকে অভিযানের হুমকির জবাবে বলা হয়, তারা ওই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা চান। তবে কেউ আক্রমণ করলে তার যোগ্য জবাব দেওয়ার প্রতিজ্ঞাও করেছেন তারা।

“সীমান্ত এলাকায় নিজেদের এবং নিজেদের জনগণের সুরক্ষায় বিনা উস্কানিতে তুরস্কের যেকোনো আক্রমণের জবাব দিতে আমরা বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবো না।”

তুরস্কে কুর্দিদের সন্ত্রাসী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত অগাস্টে নেটো মিত্র আঙ্কারা এবং ওয়াশিংটন তুরস্ক সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরপূর্বাঞ্চলে একটি বিশেষ অঞ্চল তৈরি করতে রাজি হয়। যে অঞ্চলের ভেতর ওয়াইপিজিকে সন্ত্রাসী সংগঠন বলে বিবেচনা করা হবে।

সিরিয়ায় জঙ্গিদল ইসলামিক স্টেট (আইএস) কে দমনে ওয়াইপিজিকে সমর্থন দেয় যুক্তরাষ্ট্র।

তুরস্কের অভিযোগ, ওয়াশিংটন ওই বিশেষ অঞ্চল নির্ধারণের কাজ অত্যন্ত ধীর গতিতে করছে।

সিরিয়ার ভেতরে ঠিক কতখানি এলাকা নিয়ে ওই বিশেষ অঞ্চল গঠন করা উচিত এবং কে ওই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ করবে তা নিয়েও তাদের মধ্যে এখনো মতপার্থক্য রয়েছে।

আঙ্কারার দাবি সিরিয়ার ৩০ কিলোমিটার অভ্যন্তর পর্যন্ত ওই অঞ্চলের সীমানা হবে এবং সেখানে ওয়াইপিজির কোনো যোদ্ধা প্রবেশ করতে পারবে না।

শেয়ার