অতীতের নারী সম্পর্ক নিয়ে বিপাকে বরিস জনসন

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ব্রেক্সিটের প্রস্তুতি চলার মাঝেই অতীতে কয়েকজন নারীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে অভিযোগে বিপাকে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।
অতীত নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটিতে উঠে আসা এ অভিযোগুলো রোববার শুরু হওয়া কনজারভেটিভ পার্টির বার্ষিক সম্মেলনে ছায়া ফেলেছে।
২০ বছর আগে এক নারী সাংবাদিককে জনসন আপত্তিকরভাবে স্পর্শ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। আরেকটি নারীর সঙ্গেও তিনি একইরকম আচরণ করেন বলেও অভিযোগ আছে।
তবে সোমবার এসব অভিযোগই জনসন অস্বীকার করেছেন।
দ্য সানডে টাইমস-এ জনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন কলামনিস্ট শার্লোট এডওয়ার্ডস। ১৯৯৯ সালে এক মধ্যাহ্ন্যভোজের সময় জনসন টেবিলের নিচ দিয়ে শার্লোটের উরুতে হাত দিয়ে মৃদু চাপ দেন বলে অভিযোগ তার।
জনসন তখন স্পেকটেটর ম্যাগাজিনের সম্পাদক ছিলেন। ওই একই দিনে টেবিলে জনসনের অপরপাশে বসে থাকা আরেক নারীর সঙ্গেও তিনি একই কাজ করেন বলেও অভিযোগ শার্লোটের। ওই নারীর মুখ থেকেই শার্লোট সেকথা শুনেছিলেন বলে জানান।
কিন্তু টেলিভিশনে এক সাক্ষাৎকারে জনসনকে এসব অভিযোগের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি এমনটি করেননি বলে জানান। লোকজন এসবের চেয়ে তার সরকারি পরিকল্পনার ব্যাপারে শুনতেই বেশি আগ্রহী বলেও মন্তব্য করেন জনসন।
এসব অভিযোগ তার পার্টির সম্মেলনে ছায়া ফেলেছে কিনা জানতে চাইলেও জনসন বলেন, “না আদৌ তা হয়নি। আমার মনে হয় লোকজন এটাই শুনতে চায় যে আমরা দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে কি কাজ করছি।”

জনসন লন্ডনের মেয়র থাকার সময় এক মার্কিন ব্যবসায়ী নারী জেনিফার আরকিউরির সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে তাকে সুযোগ-সুবিধাও পাইয়ে দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্য অভিযোগগুলোসহ এ অভিযোগও পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
যদিও বরিস জনসন কোনো অনিয়ম করার কথা অস্বীকার করেছেন এবং তার কার্যালয় সব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে উড়িয়ে দিয়েছে।

শেয়ার