যশোরে অগ্রণী ব্যাংক ডাকাতি মামলায় ৫ জনের নামে চার্জশিট

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সদর উপজেলার রাজারহাট এলাকার অগ্রণী ব্যাংক ডাকাতি মামলায় ৫ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে সিআইডি পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দেন সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা এসআই দীন মোহাম্মদ ঠাকুর।
অভিযুক্তরা হলো যশোর সদরের রামনগর গ্রামের আব্দুল গফ্ফার ওরফে গফুর ও ছেলে হোসেন আলী সরদার, হবিগঞ্জের বনিয়াচং থারার মন্দরী গ্রামের মোকাদ্দেস আলীর ছেলে আব্দুল মতিন ওরফে নাঈম, বরগুনার আমতলী থানার কলাগাছিয়া গ্রামের আব্দুল আজিজ ঘরামীর ছেলে গোলাম মোস্তফা ও পটুয়াখালির মির্জাগঞ্জ থানার শ্রীনগর গ্রামের মৃত খালেক হাওলাদারের ছেলে রুহুল আমিন বাবু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ২০১৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে রাজারহাটের অগ্রণী ব্যাংকের জানালার গ্রিল কেটে একদল ডাকাত ভিতরে প্রবেশ করে। এরপর ডাকাতরা অস্ত্রের মুখে দুই নৈশ প্রহরীকে মারপিট করে বেধে রাখে। গ্যাস কার্টার দিয়ে ডাকাতরা ব্যাংকের ভল্ট কেটে ২১ লাখ ৮ হাজার ৭০৯ টাকা, ১৩ হাজার ৩০০ টাকার প্রাইজ বন্ড, ৫ রাউন্ড বন্দুকের গুলি ও সিসি টিভির যন্ত্রাংশ লুট করে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে পরদিন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক নারায়ন চন্দ্র পাল অপরিচিত ১০/১২ জনকে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানা একটি ডাকাতি মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়। এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে ডাকাতির সাথে জড়িত থাকায় ওই ৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগ না পাওয়ায় বিভিন্ন সময়ে আটক বিশ্বজিৎ রায়, সাইদুল ইসলাম, আব্দুস সবুর হাওলাদার, হাবিবুর রহমান, শাহারুল ইসলাম বাপ্পী, মিজানুর রহমান হাওলাদার, রুহুল আমিন, ইজ্জাত আলী, বাবুল শরীফ, নুর ইসলাম ব্যাপারী, শাহ আলীম, মামুন ওরফে মিন্টু, ফারুক হোসেন, শাহিদুল ইসলাম, শামীনুর রহমান, মাহাবুবুর রহমান, খলিলুর রহমান ও মাসুদ শেখের অব্যাহতির আবেদন করা হয়েছে। চার্জশিটে অভিযুক্ত সকলকে আটক দেখানো হয়েছে।

শেয়ার