সৌদিতে হামলা: উত্তেজনা বৃদ্ধিতে ‘উদ্বেগ’ নেটোপ্রধানের

সমাজের কথা ডেস্ক॥ সৌদি আরবের তেল শিল্পক্ষেত্রে হামলার পর ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটোর শীর্ষ কর্মকর্তা জেন্স স্টলটেনবার্গ।
ইরান সমগ্র মধ্যপ্রাচ্যকেই ‘অস্থিতিশীল করে তুলছে’ বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি, জানিয়েছে বিবিসি।
এর আগে সোমবার যুক্তরাষ্ট্র সৌদির তেল শিল্পের কেন্দ্রস্থলে ‘নজিরবিহীন’ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির স্যাটেলাইট ছবি প্রকাশ করে।
ওয়াশিংটন হামলার দায় ইরানকে দিলেও তেহরান প্রথম থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি হামলাটিকে ‘ইয়েমেনি জনগণের পাল্টা আঘাত’ হিসেবেও অভিহিত করেছেন।
শনিবার হামলার পরপরই ইয়েমেনের ইরানঘনিষ্ঠ হুতিরা এর দায় স্বীকার করে। কিন্তু হামলার মাত্রা, ব্যাপকতা ও লক্ষ্যস্থলে নির্ভুল আক্রমণের কারণে যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের ওই দাবি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে।
ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটেরও ধারণা, হামলার অস্ত্র তেহরানই সরবরাহ করেছে।
একটি আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্টলটেনবার্গ বলেন, “এ ধরনের হামলা ঠেকাতে সব পক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি আমরা; কারণ এ ধরনের হামলা পুরো অঞ্চলের জন্য নেতিবাচক পরিণতি বয়ে আনতে পারে। উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনায় আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।”
হুতিরা এর আগেও সৌদি আরবের ভূখ-ে, এমনকী তাদের তেল সরবরাহের পাইপলাইনেও হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু সেগুলোর তুলনায় এবারের হামলাটি অনেক বড়। এবারের হামলায় বিশ্বের বৃহত্তম তেল শোধনাগার ও সৌদির অন্য একটি তেলক্ষেত্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি আরামকো পরিচালিত দুটি তেল প্লান্টে চালানো এ হামলায় সৌদির দৈনিক তেল উৎপাদন কমে অর্ধেকেরও নিচে নেমে গেছে। তাতে বিশ্বের তেলের সরবরাহ পাঁচ শতাংশ হ্রাস পাওয়ায় দাম উর্ধ্বমূখী হয়েছে।

শেয়ার