আফগান প্রেসিডেন্টের সমাবেশে হামলা, তালেবানের দায় স্বীকার

সমাজের কথা ডেস্ক॥ আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানির নির্বাচনী সমাবেশের কাছে বোমা বিস্ফোরণ এবং কাবুলের কেন্দ্রস্থলে বোমা হামলার দায় স্বীকার করেছে তালেবান।
নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছে বলে জানিয়েছে তারা। মঙ্গলবার তালেবানের এ জোড়া হামলায় অন্তত ৪৮ জন নিহত হয়েছে।
কাবুলের উত্তরে পারওয়ান প্রদেশের রাজধানী চারিকরের নির্বাচনী সমাবেশের কাছে হামলায় প্রেসিডেন্ট ঘানি আঘাত পাননি বলে তার এক সহযোগীর বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এ হামলায় ২৬ জন নিহত এবং ৪২ জন আহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র নাসরাত রাহিমি।
হামলার ঘটনাটি যখন ঘটে তখন ঘানি সমাবেশে ভাষণ দিতে যাচ্ছিলেন। “নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। নিহতদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বোমা হামলাটি এক আত্মঘাতী হামলাকারী চালিয়েছে বলে স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা জানান। “প্রেসিডেন্ট অক্ষত আছেন,” ঘানির এক সহযোগী রয়টার্সকে বলেছেন।
অন্যদিকে, কাবুলের কেন্দ্রস্থলে সংঘটিত বিস্ফোরণে অন্তত ২২ জন নিহত এবং ৩৮ জন আহত হন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালায়ের মুখপাত্র রাহিমি।
আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর আফগানিস্তানের পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। দ্বিতীয় পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য এ নির্বাচনেও প্রার্থী হচ্ছেন ঘানি।
তালেবান নির্বাচন বয়কটের ডাক দিয়েছে। ভোটাররা যেন ভোটকেন্দ্রমুখি না হয় তার জন্য আফগানিস্তানের ও বিদেশি বাহিনীগুলোর সঙ্গে লড়াই তীব্র করে তোলার শপথ নিয়েছেন জঙ্গি গোষ্ঠীটির কমান্ডাররা।
নির্বাচনী সভা-সমাবেশ ও কেন্দ্রগুলোতে হামলার হুমকি দিয়েছে তারা। এরপর থেকে সারা দেশজুড়ে নির্বাচনী সমাবেশগুলো ঘিরে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। তার মধ্যেই খোদ প্রেসিডেন্টের সমাবেশে আত্মঘাতী বোমা হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটল।

শেয়ার