দৃষ্টিনন্দন যশোর পৌরপার্ক এবার নিরাপত্তার আওতায়

সালমান হাসান রাজিব
আধুনিকায়নের পর থেকে যশোর পৌরপার্কে মানুষের পদচারণা বহুগুণ বেড়েছে। সাজানো গোছানো দৃষ্টিনন্দন পার্কটি এখন শহরবাসীর বিনোদনের কেন্দ্রস্থল হয়ে উঠেছে। শহরের অনেক মানুষ অবসর সময় কাটাতে পার্কটিতে ভিড় করেন। পরিবার পরিজন নিয়েও দলবেঁধে পার্কটিতে ঘুরতে আসেন বিনোদনপ্রিয় মানুষজন। ঘোরাঘুরি ছাড়াও সকাল বেলায়, পরন্ত বিকেলে এমনকি সন্ধ্যার পর থেকে রাত অবধি পার্কটির ভেতর হাঁটাহাঁটি করে একটু শরীর চর্চাও করেন অনেকে। এজন্য নিরাপত্তার স্বার্থে পৌরপার্ক সিসি (ক্লোজ সার্কিট) ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে। পুরো পার্কটিতে ৩২টি সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।
পৌর কর্তৃপক্ষ জানান, দিনেরাতে সবসময়ই পার্কটিতে মানুষের আনাগোনা থাকে। পার্কে আসা মানুষজনের নিরাপত্তার দিকটি বিবেচনায় এনে এখানে ক্যামেরা বসানো হয়েছে। যাতে পৌরপার্কের নিরাপত্তার বিষয়টি সবসময় নজরদারির মধ্যে রাখা যায়। সূত্র মতে, পার্কের ভেতরের অনেক চেয়ার বেঞ্চ প্রবীণদের পাশাপাশি নারীদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। কিন্তু প্রায়ই সেসব সংরক্ষিত আসন অন্যরা দখল করে বসে থাকেন। এছাড়া অনেক উচ্ছৃঙ্খল কিশোর তরুণ পার্কে বেড়াতে আসা নারীদের উত্ত্যক্ত করে। অনেক সময় মুঠোফোন ও টাকাপয়সা ছিনিয়ে নেয়ার মতন ঘটনাও ঘটে। জানা গেছে, সিসি ক্যামেরাগুলো নাইট ভিশন। অর্থাৎ দিনের বেলার পাশাপাশি এতে রাতের বেলার দৃশ্যও ধারণ হবে। ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ তিনমাস পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকবে।
পৌরসভার সচিব আজমল হোসেন জানান, পৌরপার্কের নিরাপত্তা বিষয়টি মনিটরিং করার জন্য এখানে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা বসানো হয়েছে। যাতে পার্কে ঘুরতে আসা মানুষের নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া কিছু কিশোর গ্যাং গড়ে উঠেছে, যাদের বিরুদ্ধে ছিনতাইসহ পার্কে আসা নারীদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। যেহেতু এখন থেকে পার্কটি সিসি ক্যামেরার আওতায় থাকবে সেহেতু এসব ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হবে। পৌরসভার পাশাপাশি পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকেও সিসি ক্যামেরার চিত্র পর্যবেক্ষণে রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।