যশোর কারাগারে বন্দি বন্ধুকে গাঁজা দিতে গিয়ে যুবক আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ সাহসী বন্ধু বটে। বন্ধুর জন্যে কি-না করতে পারে আরেক বন্ধু। মাদক মামলায় জেলখানায় থাকা বন্ধুকে সেবনের জন্য গাঁজা নিয়ে যায় নয়ন। কিন্তু বেরসিক কারারক্ষী নয়নের সেই আশা পূরণ করতে দেয়নি। ফলে তাকেও যেতে হলো সেই একই কারাগারে। শুক্রবার এমনই ঘটনা ঘটেছে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে।
যশোর শহরের নীলগঞ্জ তাঁতীপাড়া এলাকার শহিদুল ইসলাম শহিদের ছেলে হাসান ইসলাম নয়ন। স্প্রিংপাতির দোকানে কাজ করেন নয়ন। আর তার বন্ধু একই এলাকার মহাদেবের ছেলে রুদ্র। তিনি পেশায় একজন মাদক কারবারী। কয়েকদিন আগে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ পুলিশের হাতে আটক হয় রুদ্র। বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি রয়েছেন রুদ্র।
বন্ধু নয়ন তাকে দেখতে যাবে বলে দুইদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নেয়। শুক্রবার বিকেলে বন্ধু রুদ্রের জন্য ৪০ গ্রাম গাঁজা কিনে নিয়ে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করতে যায়। কিন্তু কারা ফটকের সামনে গেলেই কারারক্ষীরা তাকে দাঁড় করিয়ে কাছে কিছু আছে কিনা জানতে চান। কিছুই নেই বলে দাবি করেন নয়ন। ফলে তল্লাশি করা হয় তার পরিহিত প্যান্টের পকেট। এক পর্যায় পকেটেই পাওয়া গেল ৪০ গ্রাম গাঁজা। সাথে সাথেই কারারক্ষীরা থানা পুলিশকে অবহিত করেন। থানার এসআই জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে একদল পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এসময় ঘনিষ্ট বন্ধু রুদ্রকে দেওয়ার জন্য গাঁজা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেন নয়ন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই জিয়াউর রহমান জানিয়েছেন, নীলগঞ্জ এলাকার মহাদেবের ছেলে রুদ্র কিছুদিন আগে ইয়াবাসহ পুলিশের হাতে আটক হয়। রুদ্রকে দেখতে এবং গাঁজা দেয়ার জন্য তার বন্ধু নয়ন শুক্রবার বিকেলে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে যায়। কিন্তু গেট দিয়ে প্রবেশের সময় কারারক্ষীদের প্যান্টের পকেট তল্লাশি করে। এসময় তার পকেট থেকে ৪০ গ্রাম গাঁজা পেয়েই থানা পুলিশকে অবহিত করে।

শেয়ার