দামুড়হুদায় ‘ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত

সমাজের কথা ডেস্ক॥ চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদায় ‘দুই দল মাদক চোরাকারবারির’ সঙ্গে ‘ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধে’ একজন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে পুলিশ।
তবে নিহত রোকনুজ্জামান রোকনের স্বজনরা বলছেন, আগের দিন ‘কিছু লোক’ তাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। ৩৫ বছর বয়সী রোকন দামুড়হুদা উপজেলার দর্শনা দক্ষিণ চাঁদপুরের আবু বক্কর সিদ্দিকীর ছেলে।
বৃহস্পতিবার রাত আড়াইটার দিকে ওই গ্রামের একটি বাঁশবাগানে কথিত সেই বন্দুকযুদ্ধে রোকন নিহত হন বলে দামুড়হুদা থানার ওসি সুকুমার বিশ্বাসের ভাষ্য।
তিনি বলছেন, পুলিশের উপর হামলা, মাদক চোরাচালান, ডাকাতি, অপহরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে ১০টি মামলা রয়েছে রোকনের বিরুদ্ধে। ঘটনার বিবরণে ওসি সুকুমার বিশ্বাস বলেন, ‘মাদক ব্যবসার আধিপত্য নিয়ে’ উপজেলার জয়রামপুর কাঁঠালতলা এলাকার একটি বাঁশবাগানে ‘দুই দল চোরাকারবারির’ মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়েছে বলে রাতে খবর পায় পুলিশ।
“ওই খবরের ভিত্তিতে পুলিশের একটি টহল দল সেখানে গেলে মাদক ব্যবসায়ীদের দুই পক্ষই পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করে। পুলিশও তখন পাল্টা গুলি চালায়। পুলিশ ও মাদক ব্যবসায়ীদের মধ্যে প্রায় আধা ঘণ্টা ত্রিমুখী বন্দুকযুদ্ধ চলে।
“পরে মাদক ব্যবসায়ীরা পিছু হটলে ঘটনাস্থলে রোকরুজ্জামানকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়।”
গুলিবিদ্ধ রোকনকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন বলে জানান ওসি।
তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে একটি এলজি, দুটি কার্তুজ, একবস্তা ফেনসিডিল ও দুটি রাম দা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এদিকে নিহত রোকনের চাচাতো ভাই আব্দুল মতিন স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, তার ভাইকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কিছু লোক দর্শনা থেকে তুলে নিয়ে যায়।
“তারা তাদের পরিচয় দেয়নি। আমরা পরে দামুড়হুদা থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় খুঁজে রোকনকে পাইনি।” মতিনের এই অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করলে দামুড়হুদা থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাহাঙ্গীর কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “তুলে নেওয়ার এরকম কোনো ঘটনা ঘটেনি, ওই অভিযোগ সঠিক না।”

 

SHARE