যশোরে গ্রেনেড হামলা দিবসে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত

২১ আগস্টের মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে হবে : শাহীন চাকলাদার

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ ২১ আগস্টের নৃশংস গ্রেনেড হামলা দিবসে যশোরে আলোচনাসভা থেকে মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমানের সর্বোচ্চ শাস্তি ফাঁসির দাবি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার বিকেলে শহরের দড়াটানায় জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি শাহীন চাকলাদার এ দাবি করেন।
শোকাবহ আগস্টের মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গতকাল যশোর জেলা আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি শাহীন চাকলাদার বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতা করেন জিয়াউর রহমান। তার স্ত্রী খালেদা জিয়া ২০০১ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে যুদ্ধাপরাধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দেন। আর তাদের সন্তান তারেক রহমান এদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগকে চিরতরে নিস্তব্ধ করতে দলীয় প্রধান শেখ হাসিনাসহ শীর্ষ নেতাদের হত্যার পরিকল্পনা করেন। যার বাস্তবায়ন করতে ২১ আগস্ট সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে যুদ্ধে ব্যবহৃত গ্রেনেড হামলা চালানো হয়। সেদিন সৌভাগ্যক্রমে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আইভি রহমানসহ ২২জন নেতাকর্মী নিহত হন।
শাহীন চাকলাদার আরো বলেন, এ হামলার মূল পরিকল্পনাকারী তারেক রহমান। তাকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়া হয়েছে। কিন্তু তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে রাষ্ট্রীয়ভাবে চালানো এ সন্ত্রাসী হামলার দায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও এড়াতে পারেন না। তাই তাকেও এই বিচারের আওতায় আনতে হবে।


আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল খালেক, মুক্তিযোদ্ধা একেএম খয়রাত হোসেন, অ্যাডভোকেট জহুর আহমেদ, আইনবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল কাদের, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নুরজাহান ইসলাম নীরা, জেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি আজিজুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল, সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী প্রমুখ।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপুর পরিচালনায় আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম আফজাল হোসেন, মীর জহুরুল ইসলাম, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোশাররফ হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মনি, প্রচার সম্পাদক অ্যাডভোকেট মুজিবুদ্দৌল্লাহ সরদার কনক, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া পারভীন ডলি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক ডা. এমএ বাশার, উপপ্রচার সম্পাদক জিয়াউল হাসান হ্যাপী, কার্যকরী সদস্য আমিরুল ইসলাম রন্টু, ইমাম হাসান লাল, এহসানুর রহমান লিটু, শাহারুল ইসলাম, গোলাম মোস্তফা, ইঞ্জিনিয়ার কাজী আলমগীর হোসেন, কবিরুল আলম, সফিউদ্দীন অরুন, আওয়ামী লীগ নেতা আফজালুল করিম রানু, যশোর শহর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক কাজী শহিদুল হক শাহিন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ শাহিদ, জেলা পরিষদের সদস্য হাজেরা পারভীন, যশোর পৌরসভার কাউন্সিলর হাজী আলমগীর কবির সুমন, জেলা যুবলীগের প্রচার সম্পাদক জাহিদ হোসেন মিলন, সদস্য মুনসুর আলী, জেলা শ্রমিকলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বাবলু, জেলা যুব মহিলালীগের সহসভাপতি নাসিমা আক্তার জলি, সদর উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহ্বায়ক শেখ সাদিয়া মৌরিন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান কবির শিপলু, সাবেক সহসভাপতি নিয়ামত উল্যাহ, এমএম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান প্রমুখ।

SHARE