কেশবপুরের ঝরণা মঞ্জিলে চুরির কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরের কেশবপুর পৌর এলাকার ঝরণা মঞ্জিলে চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন মোস্তফা। মাদারীপুর থেকে পরিকল্পনা করে তারা কেশবপুরে চুরি করেতে আসে। এ চুরির সাথে তারা ছয়জন জড়িত ছিল বলে জানিয়েছে।
শুক্রবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক গৌতম মল্লিক জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন। মোস্তফা মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মাচ্চর গ্রামের ভুলু চোকদারের ছেলে।
মোস্তফা জানিয়েছে, সে কাঠের ব্যবসা করতো। স-মিল বন্ধ থাকায় ব্যবসা ছেড়ে দেয়। পরে কয়েক বন্ধু মিলে দেশের বিভিন্ন স্থানে চুরি করে বেড়াতো। গত ১ মে তারা মাদারীপুর থেকে চুরির উদ্দ্যেশে যশোর আসে। এরপর তারা যশোর শহরের একটি হোটেলে থেকে কেশবপুরে চুরির পরিকল্পনা করে। পরদিন সকালে কেশবপুরের একটি ভবনের তিনতলার একটি বাসার দরজা ভেঙ্গে সোনার গহনা, কাপড়সহ বিভিন্ন মালামাল চুরি করে। পরে তারা সকলেই মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার মাচারং গ্রামের মোহনের কাছে গহনা বিক্রি করে। গহনা বিক্রির দুই হাজার ৫০০ টাকা ভাগে পেয়েছিল মোস্তফা।
গত ২ মে কেশবপুর পৌর এলাকার বাসিন্দা সহকারী অধ্যাপক আনিুসর রহমান স্বস্ত্রীক প্রতিদিনের মত সকালে ঘরে তালা লাগিয়ে কলেজে চলে যান। দুপুরে বাড়ি ফিরে দেখেন ঘরের তালা ভেঙ্গে সোনার গহনা, টাকা, মালামাল চুরি করে নিয়ে গেছে। যার আনুমানিক দাম হবে ২ লাখ ৪২ হাজার টাকা। এব্যাপারে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে আনিসুর রহমান কেশবপুর থানায় মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চুরির সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মোস্তফা চোকদার ও সোহেল শেখকে আটক করেন। তাদের স্বীকারোক্তিতে চুরি হওয়া স্বর্ণের চেইন, কানের দুল, আংটি উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার তাদের যশোর আদালতে সোপর্দ করা হলে মোস্তফা চোকদার চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে জবানন্দি দিয়েছে। একইসাথে অপর আসামি সোহেল শেখকে জেলহাজতে প্রেরণের আদেশ দিয়েছেন বিচারক।

SHARE