ইংল্যান্ড বনাম অস্ট্রেলিয়া: কে হাসবে শেষ হাসি?

সমাজের কথা ডেস্ক॥ ব্রিটিশ ব্রডকাস্টার স্কাই জানিয়েছে দল ফাইনালে উঠলে তারা সেই খেলা বিনামূল্যে দেখাবে। এর থেকে বোঝা যায়, বিশ্বকাপ নিয়ে ইংল্যান্ড কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে আছে।
অস্ট্রেলিয়া তাদের শেষ সাতটা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হারেনি, কঠিন চ্যালেঞ্জ তাই ইংল্যান্ডের সামনে।
ভারত ও নিউজিল্যান্ডকে পরপর হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আসন পাকা করেছে ইংল্যান্ড। বৃহস্পতিবার এজবাস্টনে বিশ্বকাপের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি তারা। লিগ পর্বের ম্যাচে অজিরা ইংল্যান্ডকে ৬৪ রানে গুঁড়িয়ে দিয়েছিল। ২৫ জুন লর্ডসের সেই ম্যাচে ২৮৬ রান তাড়া করতে নেমে ২২১ রানে শেষ করে ইংল্যান্ড। কোনও ব্যাটসম্যানই বড় স্কোর করতে পারেননি। তবে এরপর ওপেনার জেসন রয় ফিরে আসায় আবার ইংল্যান্ডের ব্যাটিং শক্তি ফিরে পায়। গ্রুপ পর্বের শেষদিকে দারুণ খেলে তারা শেষ চারে পৌঁছে যায়। ২০১৫ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড প্রথম রাউন্ডে হেরে বিদায় নেয়। কিন্তু এরপরই তারা নিজেদের দলের খোলনলচে বদলে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রধান শক্তি হয়ে ওঠে।
কোচ ট্রেভর বেইলিস দেশকে প্রথম বিশ্বকাপ দিতে মরিয়া হয়ে রয়েছেন। ইয়ন মরগ্যানের নেতৃত্বে একদিনে দল হিসেবে বিশ্ব ক্রমপর্যায়ে তাঁদের দেশই এক নম্বরে।
ইংল্যান্ডের প্রধান শক্তি জেসন রয় ও জনি বেয়ারস্টোর ওপেনিং জুটি। ব্রিটিশ ব্রডকাস্টার স্কাই জানিয়েছে দল ফাইনালে উঠলে তারা সারা দেশে সেই খেলা বিনামূল্যে দেখাবে। এর থেকেই বোঝা যায়, বিশ্বকাপ নিয়ে ইংল্যান্ড কতটা আবেগপ্রবণ হয়ে রয়েছে।
কাজটা সহজ হবে না। অস্ট্রেলিয়া তাদের শেষ সাতটা বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে হারেনি। যদিও ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল তারা টাই করলেও শেষ পর্যন্ত রান রেটের দৌলতে ফাইনালে চলে গিয়েছিল। তাছাড়া গ্রুপ পর্বের জয়ও তাদের বাড়তি অক্সিজেন দেবে বেয়ারস্টোদের বিরুদ্ধে।
বাঁহাতি পেসার জেসন ও স্টার্ক ইংল্যান্ডের ন’টি উইকেট ভাগাভাগি করে নেিয়ছিলেন। অ্যারন ফিঞ্চ শতরান পেয়েছিলেন। সেমিফাইনালে সেটা যে এই তারকাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেবে বলাই বাহুল্য।
তবে সেই ম্যাচে রয় ছিলেন না। তাঁর প্রত্যাবর্তনের পরে ঘুরে দাঁড়িয়েছে ইংল্যান্ড। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত শেষ হাসি কে হাসে।

শেয়ার