যশোরে ফেরদৌস খুনে ৯ জনের নামে মামলা, আটক ২

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে ৯ জনকে আসামি দিয়ে ফেরদৌস হোসেন হত্যা মামলা রেকর্ড করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে নিহতের পিতা শহরের নাজির শংকরপুরের আজাদ হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। পুলিশ এ মামলায় ২জনকে আটকের পর শুক্রবার আদালতে সোপর্দ করেছে। আটককৃতরা হলো, শহরের চাঁচড়া রায়পাড়ার মেসিয়ার খোকনের ছেলে অন্তর ইসলাম অন্তর ও শংকরপুর ছোটনের মোড়ের আলতাপ হোসেন আলতুর ছেলে রাকিব হাসান অনিক।
এ মামলার পলাতক আসামিরা হলো, চাঁচড়া রায়পাড়ার মেসিয়ার খোকনের ছেলে সাব্বির হোসেন, শংকরপুর এলাকার আকাশ হোসেন, সিপন হোসেন, সাকিব হোসেন, রাজা, জাহাঙ্গীর হোসেন ও ফয়েজ হোসেন।
বাদীর দায়ের করা মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, তার ছেলে ফেরদৌস হোসেনের আসামিদের সাথে পূর্ব বিরোধ ছিল। গত ১৩ জুন দুপুর ১২টার দিকে শহরের শংকরপুরের সন্যাসীর দিঘিরপাড় এলাকায় সকল আসামিরা পূর্ব পরিকল্পনা মতে ফেরদৌসকে হত্যার জন্য ডেকে নিয়ে যায়। এর মধ্যে সাব্বির হোসেন, আকাশ হোসেন, সিপন হোসেন, সাকিব হোসেন এবং অন্তর ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে ফেরদৌসের সাথে কথা কাটাকাটি শুরু করে। এরই মধ্যে সাব্বিরের কাছে থাকা ছুরি দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এসময় ফেরদৌস জীবন বাঁচাতে দৌড়ে সারথী স্কুলের সামনে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায়। স্থানীয়দের সহায়তায় ফেরদৌসের সাথে থাকা সুজন তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই ফেরদৌস মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। এঘটনার বিষয়টি চারিদিকে চাউর হলে ওই সন্ত্রাসীরা পালিয়ে চলে যায়। ঘটনারদিন বৃহস্পতিবার তার লাশের ময়নাতদন্ত শেষে দাফন করা হয়।
পাশাপাশি এঘটনায় পুলিশ ওইদিন রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রাকিব হাসান অনিক ও অন্তর ইসলামকে আটক করে। পরদিন শুক্রবার তাদের দুইজনকেই আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত অন্য আসামিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা চাঁচড়া ফাঁড়ি পুলিশের এসআই মনিরুজ্জামান।

SHARE