বিশ্বের সবচেয়ে দামি চিত্রকর্ম ‘সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের ইয়টে’

সমাজের কথা ডেস্ক॥ বিশ্বের সবচেয়ে দামি চিত্রকর্ম ‘সালভাতর মুন্ডি’ সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানের একটি বিলাসবহুল ইয়টে শোভা পাচ্ছে বলে লন্ডনভিত্তিক এক আর্ট ডিলার দাবি করেছেন।
আর্টনিউজ ওয়েবসাইটে লেখা এক নিবন্ধে সোমবার আর্ট ডিলার কেনি শাখটার ওই দাবি করেছেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
কিংবদন্তি শিল্পী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা বলে খ্যাত এ চিত্রকর্মটি রেকর্ড ৪৫ কোটি ডলারে বিক্রি হওয়ার পর থেকে কোথায় আছে, তা এমনকী শিল্প সংস্কৃতির জগতেও রহস্যাবৃত ছিল।
২০১৭ সালে নিলাম প্রতিষ্ঠান ক্রিস্টি ওই চিত্রকর্মটি বিক্রি করে। ছবিটিতে পুনর্জাগরিত যিশু খ্রিস্টকে এক হাতে আশির্বাদ করতে দেখা যায়, তার অন্য হাতে ধরা ছিল স্বচ্ছ পৃথিবী।
বিক্রি হওয়ার পর থেকে আর কখনো জনসম্মুখে দেখা না যাওয়ায় ছবিটির স্বত্তাধিকারী, এর অবস্থান ও অস্তিত্ব নিয়ে জল্পনা-কল্পনা বাড়ছিল।
চিত্রকর্মটি সত্যি সত্যিই লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আঁকা কি না, তা নিয়েও বিশেষজ্ঞরা দ্বিধাবিভক্ত। শিল্পী এটি নিজে আঁকেননি, বরং তার ওয়ার্কশপে এর জন্ম হয়েছে বলেও ধারণা অনেকের।
এমবিএস হিসেবে পরিচিত সৌদি ক্রাউন প্রিন্সের নামে আরেক সৌদি প্রিন্স বদর বিন আব্দুল্লাহ ‘সালভাতর মুন্ডি’ নামের এ চিত্রকর্মটি কেনেন বলে প্রথম দাবি করেছিল ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল। রিয়াদ ওই প্রতিবেদনের সত্যতা স্বীকার বা প্রত্যাখ্যান কোনোটিই করেনি।
“মধ্যপ্রাচ্যের ঝাপসা জলে কোনোকিছুই স্ফটিকস্বচ্ছ পরিষ্কার নয়,” নিজের নিবন্ধে শাখটার এমনটা বললেও নিলামের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটিসহ বেশ কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে ওই চিত্রকর্মটি ক্রাউন প্রিন্সের হেফাজতে আছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
“মধ্য রাতে চিত্রকর্মটি এমবিএসের প্লেনে উঠে হাওয়া হয়ে যায়, পরে স্থান পায় তার ইয়ট- সেরেনে,” দাবি শাখটারের।
সৌদি আরবের আল-উলা প্রশাসনিক বিভাগের হাতে হস্তান্তর করার আগ পর্যন্ত ওই চিত্রকর্মটি ক্রাউন প্রিন্সের ইয়টেই থাকবে বলেও জানিয়েছেন এ আর্ট ডিলার।
আল-উলা প্রশাসনিক বিভাগকে সৌদি আরব তাদের সংস্কৃতি ও পর্যটনের নতুন তীর্থস্থানে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

SHARE