যশোরে বিনোদন কেন্দ্রে ঘোরাঘুরি করে ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে ঈদের দিনের সকালটা ছিল বেশ খানিকটা রোদ ঝলোমল। আকাশে মেঘ না থাকায় বৃষ্টিও ছিল না। তাই এদিন নির্বিঘেœ সবাই দলে দলে ঈদ জামায়াতে শরিক হন। এরপর বেলা একটু বাড়লে ঈদ আনন্দে মাততে ঘর থেকে বের হতে শুরু করেন শহরবাসী। কিন্তু এরপর ঈদ আনন্দে বাধ সাথে বেরসিক বৃষ্টি। ঈদের দিন দুপুর বেলা শুরু হওয়া বৃষ্টি; গড়ায় বিকলে অবধি। তবে বিকেলের আকাশ মেঘে ঢাকা থাকলেও বৃষ্টি না থাকায় এসময় বন্ধু, আতœীয়-স্বজন ও পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে বের হয় মানুষজন। শহরের পার্ক, ক্যাফে ও শহরের আশপাশের বিনোদন কেন্দ্রগুলোয় ভিড় জমায় তরুণ তরুণীসহ নানা বয়সি মানুষ।
এদিকে ঈদের পরবর্তী তিন দিন মেঘ রোদ্রের লুকোচুরি থাকলেও বৃষ্টি হয়নি। এজন্য ঈদের দিনের বৃষ্টি ঘোরাঘুরিতে যে বাগড়া দিয়েছিল পরবর্তী দুই দিনে সেটি পুষিয়ে নেয় সবাই। ঈদের দ্বিতীয় দিন বৃহস্পতিবার ও তৃতীয় দিন শুক্রবার জমিয়ে ঘোরাঘুরি করেছে সবাই। ঈদের পরের দুই দিন শহরের পৌরপার্ক, কালেক্টরেট পার্ক ও বিমান বন্দর এলাকার হাইওয়েতে বিপুল সংখ্যক মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এমনকি শহরের বাইরে অবস্থিত বিনোদন কেন্দ্র জেস গার্ডেন, বোর্ট ক্লাব ও বিনোদিয়ায় দলে বেধে ঘুরতে বের হন মানুষজন। শহরের দড়াটানা এলাকাতেও ঈদের পরের দিনগুলোয় মানুষের ভিড় ছিল।
শুক্রবার বিকেলে বিমান বন্দর সড়কে মানুষ ও যানবাহনের ভিড়ে রীতিমত যানজট বেধে যায়। ইজিবাইক, রিকসা, মোটর সাইকেলে চেপে মানুষজন এদিন এখানে ভিড় করেন। রাত পর্যন্ত প্রচুর সংখ্যক মানুষ সেখানে অবস্থান করেন। এদিকে পৌর পার্ক ও কালেক্টরেট পার্কেও অনেক মানুষ পরিবার পরিজন নিয়ে ঘুরতে আসেন। ঈদের তৃতীয় দিন বিমান বন্দর সড়কে দুই সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে বেড়াতে আসেন ব্যাংক কর্মকর্তা তৌহিদুল আজীম শামীম। আলাপচারিতায় বলেন, সারা বছর কাজের চাপ থাকে। এছাড়া কোন উপলক্ষ ছাড়া পরিবারের সাথে বাইরে বের হওয়া সম্ভব হয় না। এজন্য খোলামেলা পরিবেশে পরিবার সাথে করে ঘুরতে বের হয়েছি। এরকম ভাবে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঈদ আনন্দ করতে বোট ক্লাবে বেড়াতে আসেন শহরতলীর চাঁচড়া ভাতুড়িয়া এলাকার তরিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঈদের ছুটি কাটাতে যশোর এসেছি। ঈদের দিনগুলো হাসি আনন্দে কাটাতে ভাইয়ের ছেলে মেয়েদের সাথে করে বিনোদন কেন্দ্রগুলোয় ঘুরছি। তার মতো অনেককে ঘুরতে দেখা যায়।

শেয়ার