যশোরে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু আজ

নিজস্ব প্রতিবেদক॥ যশোরে শুরু হতে যাচ্ছে ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদের নিবন্ধন কার্যক্রম। আজ দেশের অন্যান্য জেলার সাথে এখানেও একযোগে এ কার্যক্রম শুরু হবে। যশোর সদর উপজেলায় হৈবৎপুর ইউনিয়নে উপযুক্ত ভোটারদের নিবন্ধনের (ডাটা এন্টি) মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এ কার্যক্রম। আজ থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে ২০ মে পর্যন্ত। সকাল ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত ইউনিয়ন পরিষদের মিলনায়তনে নিবন্ধন করা হবে। ইতোমধ্যে বাড়ি বাড়ি যেয়ে উপযুক্ত ভোটারদের তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। যশোর জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
যশোরের সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসার মো. হুমায়ুন কবির জানান, ইসির প্রস্তাবনা অনুসারে ২০০৪ সালের ১ জানুয়ারি পর্যন্ত যাদের জন্ম তারাই এ কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত হবেন। এবারের ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমে নিবন্ধিত ব্যক্তির ছবিসহ চোখের আইরিশের প্রতিচ্ছবি ও ১০ আঙুলের ছাপ নেয়া হবে। এছাড়া এবার প্রথমবারের মতো হিজড়া জনগোষ্ঠীকে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে মৃত ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হবে।
তিনি জানান, প্রতিবছর দুই দশমিক ৫০ শতাংশ হারে নতুন ভোটার করার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। চার বছরে ১০ শতাংশ ভোটারের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। যশোরে বিদ্যমান ভোটার ২০ লাখ ৯২ হাজার ৪৬৫ জন।
যশোর সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আব্দুর রশিদ জানান, যশোরের সদর উপজেলায় হৈবৎপুর ইউনিয়নের উপযুক্ত ভোটারদের ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে আজ (১৬ মে) থেকে শুরু হচ্ছে ছবিসহ নতুন ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম। এরপর ২১ মে লেবুতলা ইউনিয়নে উপযুক্ত ভোটারদের ডাটা এন্ট্রি কার্যক্রম শুরু হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সকল ইউনিয়নে উপযুক্ত ভোটারদের ডাটা এন্ট্রি শেষে পৌরসভা ও ক্যান্টনমেন্টে এ কার্যক্রম শুরু হবে।
তিনি জানান, এ কার্যক্রমের আওতায় পূর্বে যারা ভোটার হতে পারেননি তারাও ভোটার হতে পারবেন। তবে কেউ পূর্বে ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হলে তার নতুন করে নিবন্ধিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। আঙুলের ছাপ মিলিয়ে যাচাই করে দ্বৈত ভোটার হিসেবে ধরা পড়লে অপরাধীর শাস্তি অনধিক ছয় মাস কারাদ- বা দুই হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দ-ে দ-িত হবেন।
তিনি আরও জানান, ১৮ বছরের কম বয়সে ভোটার হওয়া, একাধিক মিথ্যা তথ্য বা ভুল ঠিকানা দিয়ে ভোটার হওয়া দ-ণীয় অপরাধ। তিনি বলেন, কেউ জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে ফেললে পুনরায় ভোটার হওয়ার প্রয়োজন নেই। এ বিষয়ে থানায় জিডি করে উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে আবেদন করলে তা পুনরায় দেয়া হবে। এছাড়া কারো তথ্যে ভুল থাকলে নির্ধারিত ফরমে আবেদন করলে তা সংশোধন করা হবে।

শেয়ার