যশোর-মণিরামপুর সড়কে ডাকাতি বিভিন্ন স্থান থেকে ১১ জন আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর-মণিরামপুর সড়কে ডাকাতির ঘটনায় ১১জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের আটক করা হয়। আটককৃতরা ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে দাবি করেছে পুলিশ। বিষয়টি মঙ্গলবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে সাংবাদিকদেরকে নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন সিকদার। এসময় জেলা বিশেষ শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনসার উদ্দিন ও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপূর্ব হাসান উপস্থিত ছিলেন।
আটককৃতরা হলো, খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার চুকনগর-চাকুন্দিয়া গ্রামের দক্ষিণপাড়ার শওকত আলী গাজীর ছেলে শাহিনুর রহমান, কাদের আলী গাজীর ছেলে শহিদুল ইসলাম, আনসার আলী শেখের ছেলে বাবর আলী বাবু, চুকনগর-পুটিমারির খোকা পদ দাসের ছেলে ধনি রাম দাস, বেতা গ্রামের মোজাহার আলী গাজীর ছেলে আজিবর রহমান, পাইকগাছা উপজেলার গোপালপুর গ্রামের সামসুদ্দিন গাজীর ছেলে মিজানুর রহমান কামরুল, যশোর সদর উপজেলার সিরাজসিংগা গ্রামের তরফদারপাড়ার হারুন বিশ্বাসের ছেলে আসলাম বিশ্বাস, মণিরামপুরের মথুরাপুর গ্রামের আকবর বিশ্বাসের ছেলে আলম হোসেন ইমরান, আলাউদ্দিন গাজীর ছেলে মিজানুর রহমান মিন্টু, ইত্তা গ্রামের মাঠপাড়ার আব্দুল করিমের ছেলে সাইফুল ইসলাম ও সাতক্ষীরার শ্যামনগরের নকিপুর গ্রামের শেখ মনিরুদ্দিনের ছেলে ওহিদুজ্জামান বাবু।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন সিকদার জানিয়েছেন, গত ২ এপ্রিল ভোর রাতে যশোর-মণিরামপুর সড়কের বাজুয়াডাঙ্গা-সাতমাইল এলাকায় ডাকাতির কবলে পড়েন ৯টি ট্রাক চালক ও হেলপার। ওই সময় ডাকাতরা রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে চালকদের জিম্মি করে পৌনে দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনায় বাবুল হোসেন নামে এক ট্রাক চালক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি দিয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। যান্ত্রিক উপায়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা থানার এসআই আমিরুজ্জামান বিভিন্ন স্থান থেকে ওই ১১জনকে আটক করেন। আটককৃত ওহিদুজ্জামান বাবু ওই ডাকাতির সাথে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছেন। তাছাড়া তার অপর সহযোগীদের নাম ঠিকানাও প্রকাশ করেছেন। সে মোতাবেক পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে অন্যদের আটক করে।
এছাড়া গত ৯ এপ্রিল রাতে যশোর-চৌগাছা সড়কের বেলতলা নামক স্থানেও ডাকাতি হয়। ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে লক্ষাধিক টাকার মালামাল নিয়ে যায় ডাকাতরা।
এ ব্যাপারে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সালাউদ্দিন বলেছেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের যদি প্রমাণা বা যোগসূত্র পাওয়া যায় তাহলে যশোর-চৌগাছা সড়কে ডাকাতির ঘটনায় মামলা নেয়া হবে।

SHARE