বৃষ্টির জন্য আরও দু’দিন অপেক্ষা

সমাজের কথা ডেস্ক॥ তাপপ্রবাহে অতিষ্ঠ নাগরিকদের আরও দুয়েক দিন বৃষ্টির জন্যে অপেক্ষায় থাকতে হবে। আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার পূর্বাভাস দিয়েছে, ঢাকা, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগসহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বয়ে চলা তাপপ্রবাহ আরও দুদিন অব্যাহত থাকতে পারে। রবি বা সোমবার বৃষ্টি হতে পারে দেশের কিছু এলাকায়।
শুক্রবার রাজশাহীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল আগের দিনের মতই ৩৯ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস; এটাই ছিল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর যশোরে এদিন সর্বোচ্চ ৩৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়।
আবহাওয়াবিদরা ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রাকে ‘মৃদু’, ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসকে ‘মাঝারি’ এবং ৪০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গেলে তাকে তীব্র তাপপ্রবাহ হিসেবে বিবেচনা করেন।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক বলেন, “তাপপ্রবাহ শুক্রবারও বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অব্যাহত রয়েছে। রোববারের দিকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি হতে পারে। তাতে তাপপ্রবাহ কমে আসবে।”
তবে বঙ্গোপসাগরে এখনই কোনো নিম্নচাপের পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।
ঘূর্ণিঝড় ফণী আসার আগে গত ২৯ এপ্রিল রাজশাহীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস; এ মৌসুমে এটাই দেশের সর্বোচ্চ।
এদিকে রোজার মধ্যে টানা তাপপ্রবাহে নাগরিক জীবনে হাঁসফাঁস অবস্থা। রোগবালাই এড়াতে খাবারে সতর্ক থাকার পাশাপাশি বিশুদ্ধ পানি পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
তারা বলছেন, তাপদাহ অব্যাহত থাকলে ডায়রিয়া পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে পারে। এ সময় যতটা সম্ভব নিজেকে পরিষ্কার রাখতে হবে। প্রচন্ড তাপদাহে পানির চাহিদা বেড়ে যায়। অনেকেই পানির চাহিদা মেটাতে অনিরাপদ পানি পান করেন, যার ফল হয় খারাপ।
তাছাড়া গরমে খাবার দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়। ফলে নিম্নবিত্তের মানুষের মধ্যে পচা-বাসি খাবার খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।

শেয়ার