রাস্তার কাজ না করে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ যশোর আদালতে এক ঠিকাদারের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ রাস্তার কাজ না করে সাড়ে ১৯ লাখ টাকা আত্মসাৎ মামলায় সিরাজুল ইসলাম নামে পলাতক এক ঠিকাদারকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক এ রায় দিয়েছেন। দ-প্রাপ্ত সিরাজুল ইসলাম মাগুরা সদর উপজেলার আবালপুর গ্রামের আতোয়ার রহমনের ছেলে।
মামলার বিবরণে জানা গেছে, যশোর শহরের শংকরপুরের শাহ আলম কবির ঠিকাদারী ব্যবসা করেন। অপরদিকে আসামি সিরাজুল ইসলাম সাব ঠিকাদারী ব্যবসা করেন। মেসার্স শাহ আলম কবির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নরসিংদী জেলার সড়ক বিভাগীয় ঘোড়াশাল পাঁচদোনা সড়কের মেরামতের ঠিকাদারী কাজ পায়। মেসার্স শাহ আলম কবির ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ কাজের জন্য সিরাজুল ইসলামকে সাব ঠিকাদার নিয়োগের প্রস্তাব দেন। আসামি সিরাজুল ইসলাম সাব ঠিকাদার হিসেবে কাজ করবেন বলে একটি চুক্তিনামা তৈরি করে ২০১২ সালের ১২ মার্চ থেকে ২৭ মার্চের মধ্যে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন। নির্ধারিত সময় পার হলে মোট ৪৫ দিন অতিবাহিত হলেও আসামি রোডের মেরামতের কাজ না করে ঘোরাতে থাকেন। এক পর্যায়ে ওই বছরের ৫ অক্টোবর আসামিকে যশোর শহরের শংকরপুরের অফিসে ডেকে দ্রুত কাজ করে দেয়ার জন্য তাগাদা দেয়া হয়। এ সময় আসামি রাস্তার মেরামতের কাজ করবে না এবং টাকাও ফেরৎ দিবে না বলে চলে যান। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে শাহ আলম কবির বাদী হয়ে প্রতারণার অভিযোগে সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা করেন। স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামি সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিচারক তাকে ২ বছর সশ্রম কারাদ- ও ৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরো ২ মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

শেয়ার