কোয়াক ডাক্তার আলমের ফের চাঁদাবাজি বিচার চেয়ে রূপদিয়া বাজারে বিক্ষোভ

রূপদিয়া প্রতিনিধি॥ যশোর সদর উপজেলার নরেন্দ্রপুর ইউনিয়নের রূপদিয়া বাজারের আলম ডাক্তারের বিরুদ্ধে আবারও ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ করা হয়েছে। শনিবার সোন্ধা ৭ টার দিকে মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রের্ডাসের মালিক ওমর আলীর নিকট ৫ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করলে টাকা দিতে অস্বীকার করায় দোকানের মধ্যে তার ছেলেসহ তাকে লোহার রড দিয়ে মারপিট করতে থাকে। এসময় সংবাদ পেয়ে নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরিষদ থেকে ছুটে যান। তখন ব্যবসায়ী ওমর আলী বিষয়টি চেয়ারম্যানকে খুলে বলেন। চেয়ারম্যান এ নিয়ে শালিস বৈঠক করার সিদ্ধান্ত নেন। এখবর আলম ডাক্তার শুনতে পেরে রাত ৯ টার দিকে আবারও ব্যবসায়ী ওমর আলীর দোকানে এসে বলেন চেয়ারম্যানকে বলেছিস? এই বলে ওমর আলী ও তার সন্তানকে বেধড়ক পারপিট করতে থাকে। তাদের চিৎকারে পাশের অন্যান্য দোকান ব্যবসায়ীরা ছুটে এসে আলমকে ধরে ফেলে। পরিস্থিতি অন্যরকম বুঝতে পেরে কোয়াক ডাক্তার আলম দ্রুত পালিয়ে যায়। এরই মধ্যে মেসার্স বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সে আলম ডাক্তারে চাঁদা চাওয়ার ঘটনা সারা বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন ওমর আলীর দোকানের সামনে এবং একটি উত্তেজনা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন বাজারে অবস্থানরত নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কাশেম বিশ্বাস, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোদাচ্ছের আলী ও বাজারের গণ্যমান্যরা ব্যবসায়ীদেরকে শান্ত করেন। পরদিন রোববার দলমত নির্বিশেষে সমস্ত দোকান বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা আলম ডাক্তারের চাঁদা বাজির বিরুদ্ধে রূপদিয়া বাজারের যশোর- খুলনা মহাসড়কের উপর বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। বিক্ষোভ মিছিল শেষে বক্তব্য প্রদান করেন নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহিন আলমসহ বিভিন্নস্তরের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। একের পর এক বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদাবাজি ও তার অপকর্মের সংবাদ পত্রিকায় প্রকাশিত হলেও স্থানীয় প্রশাসনের রহস্যজনক কারণে নিরাবতায় আবারও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে আলম ডাক্তার। এব্যাপারে রূপদিয়া বাজারের ব্যবসায়ীরা আলম ডাক্তারের বিভিন্ন অপকর্ম ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।

শেয়ার