প্রচন্ড গরমে এক পশলা বৃষ্টি জনজীবনে স্বস্তি, শঙ্কায় কৃষক

নিজস্ব প্রতিদেক ॥ প্রচন্ড গরমে জীবন যখন দুর্বিষহ হয়ে উঠছিলো, ঠিক তখনই এক পশলা বৃষ্টি জনজীবনে শান্তির বাতাস বইয়ে দিয়েছে। গতকাল সন্ধ্যার পরপরই হালকা ঝড়ো হওয়ার পাশাপাশি বৃষ্টি হয়। এতে তাপদাহে অতিষ্ঠ মানুষরা কিছুটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন। তবে মাঠের পর মাঠ বোরো ধান নিয়ে শংকার মধ্যে পড়েছেন কৃষকেরা।
যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা যায়, গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম ছিল। বৃহস্পতিবার যশোরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে গতকাল দুপুরে জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ৩৬ দর্শমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল রাঙামাটি ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আর সন্ধ্যার পর বৃষ্টি নামলে তাপমাত্রা কমে সহনীয় পর্যায়ে আসে। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন শহরবাসী।
আবাহওয়া অফিস বলছে, গতকাল যশোরে ১৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাথে দমকা হাওয়াও ছিলো। ফলে প্রকৃতি বেশখানিকটা শীতল হয়েছে।
এদিকে, বৃষ্টিপাতের পাশাপাশি দমকা হওয়ায় জেলার কোন কোন এলাকায় গাছ উপড়ে পড়ে। যশোর সদর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক এম রবিউল ইসলাম জানান, প্রচ- ঝড়ে শহরতলীর ঝুমঝুমপুরের বিজিবি ক্যাম্প এলাকার বড় বট গাছটি উপড়ে পড়েছে। বেজপাড়ার বাসিন্দা সেকেন্দার আলী জানান, বৈশাখের শুরুর খরতাপ এবার অসহনীয় পর্যায়ে চলে যাচ্ছিল। এমন পরিস্থিতিতে বৃষ্টি অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক।
বোরো ধান উঠার মৌসুমে এমন বৃষ্টি কৃষক মনে আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে। তবে বজ্রপাত হলেও মণিরামপুর এলাকায় তেমন বৃষ্টি হয়নি। এজন্য স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেছেন কৃষকরা। কুশখালী গ্রামের কৃষক দশরথ মল্লিক জানান, গত কয়েকদিন ধরে প্রচন্ড গরম পড়ছে। শুক্রবার সন্ধ্যার পরে হালকা ঝড়ের পাশাপাশি প্রচন্ড শব্দে বজ্রপাত হয়। তবে বৃষ্টি তেমন হয়নি। মাঠে পাকা ধান রয়েছে। বৃষ্টি হলে বড় ধরনের ক্ষতির মুখোমুখি হতে হতো।

শেয়ার