ঘটনার সাড়ে ৪মাস পার
যশোরে তরুণ সংবাদকর্মী সবুজের ঘাতক গাড়ি সনাক্ত হয়নি, আটক হয়নি চালকও

নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোর সাংবাকি ইউনিয়ন জেইউজে সদস্য, দৈনিক সমাজের কথা পত্রিকার সম্পাদনা সহকারী আশিকুল আলম সবুজের ঘাতক সেই গাড়ি সনাক্ত ও চালককে সাড়ে ৪ মাসেও আটক করতে পারেনি পুলিশ। সবুজের স্বজনদের অভিযোগ, গাড়ি সনাক্ত বা চালক আটকের ব্যাপারে পুলিশের তেমন কোনো তৎপরতা নেই। গত বছর ৯ ডিসেম্বর রাতে শহরের বকচর এলাকায় তাকে চাপা দিকে ‘হত্যা করে’ স্কয়ার কোম্পানির একটি গাড়ি।
সবুজের স্বজনরা জানান, গত ৯ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ৭টার দিকে নিজ বাড়ি নীলগঞ্জ থেকে মোটরসাইকেলে সমাজের কথা পত্রিকা অফিসে যাচ্ছিলেন আশিকুল আলম সবুজ (৩৫)। শহরের বকচর কোল্ড স্টোর মোড়ের অদূরে পৌঁছানোর পর স্কয়ার কোম্পানির একটি কাভার্ড ভ্যান দ্রুত গতিতে সবুজের মোটরসাইকেলে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে চলে যায়। স্থানীয়রা ধাওয়া করলেও কাভার্ড ভ্যানটিকে আটক করতে পারেননি। দুর্ঘটনার পর আহত সবুজকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে আনা হয় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার দিন রাতেই যশোর কোতোয়ালি মডেল থানায় এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্ত্রী নূরজাহান আক্তার ঝলক। কিন্তু এ ঘটনার পর সাড়ে ৪ মাস পার হলেও ওই মামলার কোন অগ্রগতি হয়নি। সনাক্ত করা যায়নি কাভার্ড ভ্যানটি। ঘাতক চালককেও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।
এব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যশোর কোতোয়ালি থানার এসআই জাহিদুর রহমান বলেন, তিনি তদন্ত কাজ অব্যাহত রেখেছেন। গাড়িটি সনাক্ত করার জন্য স্কয়ার কোম্পানির ডিপোতেও গিয়েছেন। কিন্তু ডিপোর রেজিস্ট্রার অনুযায়ী এবং ওই সময়ে তাদের যে গাড়ি বাইরে ছিল এ ঘটনার সাথে কোন মিল পাওয়া যায়নি।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অপূর্ব হাসান জানিয়েছেন, ঘটনার রাতেই স্কয়ার কোম্পানির ডিপোতে তল্লাশি করা হয়েছে। তাছাড়া পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে গাড়িটি সনাক্ত করার জন্য চেষ্টা চলছে। তবে এখনও গাড়ি সনাক্ত বা চালক আটক সম্ভব হয়নি।

শেয়ার