বিদায় ও বরণে মাতবে চাঁদের হাট ও পুনশ্চ

সালমান হাসান রাজিব
আজ চৈত্র সংক্রান্তি। বাঙলা ১৪২৫ সনের বিদায়ী লগ্ন। চৈত্র সংক্রান্তিতে অর্থাৎ চৈত্রের শেষ দিনে বিদায় নেয় ঋতুরাজ বসন্ত। বিদায় নেয় পুরোনো বাঙলা বছর। তাই চৈত্র সংক্রান্তির দিন বর্ষ বিদায়ের অনুষ্ঠান করে বাঙালি। কিন্তু যশোরের দুই-একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন বাদে কারোরই সেভাবে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান করার রেওয়াজ নেই। তবে প্রতিবছরই বর্ষবরণের পাশাপাশি বর্ষবিদায়ের অনুষ্ঠান করে চাঁদের হাট ও পুনশ্চ যশোর। এবারও সেটির ব্যত্যয় হয়নি। সংগঠন দুটি এবার শহরের পৃথক স্থানে বাঙলা ১৪২৫ বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
আজ শহরের ক্যালেক্টরেট পার্কে চাঁদের হাট ও মুন্শি মেহেরুল্লাহ ময়দানের শতাব্দি বটতলে পুনশ্চ বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান করবে। সন্ধ্যায় কালেক্টরেট পুকুর পাড়ে মোমবাতি প্রজ্বলনের ভেতর দিয়ে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানের সূচনা করবে চাঁদের হাট। ১৪২৫ বাংলা বর্ষকে বিদায় জানাতে চৈত্রের শেষ সন্ধ্যায় সমবেত কণ্ঠে ‘আলোকের ঝর্ণাধারা…’ ও ‘মঙ্গল দীপ জ্বেলে…’ পৃথক দুটি গানের সাথে মোমবাতি জ্বালিয়ে পুকুর পাড় আলোকিত করা হবে। এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টায় কালেক্টরেট পার্কে থাকবে বর্ষবিদায়ের সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সংগঠনের শিশু শিল্পীরা হাসন রাজার ‘বাওলা কে বানাইলো রে…’ গান গেয়ে বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানের সূচনা করবে।
এদিকে বসন্তের বিদায় তথা বাংলা বর্ষকে বিদায় জানাতে বিকাল পাঁচটায় শহরের টাউন হল মাঠে থাকছে পুনশ্চের বর্ষবিদায় অনুষ্ঠান। শিশুদের সমবেত কণ্ঠে ‘আয়রে পাগল আবল তাবল….’ গান দিয়ে শুরু হবে এই অনুষ্ঠান। পুনশ্চের বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানে থাকছে আবৃত্তি, বড়দের সমবেত নৃত্যসহ নানা আয়োজন।