মাগুরায় স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে কুচক্রি মহলের ষড়যন্ত্র

শালিখা (মাগুরা) প্রতিনিধি॥ মাগুরার বেরইল পলিতা আলহ্বাজ কাজী আব্দুল ওয়াজেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে নানা রকম যড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ছে স্কুল বহির্ভুত কতিপয় ব্যক্তি। প্রধান শিক্ষক মো: সিরাজুল ইসলাম ২০০৮ সালে স্কুলে যোগদান করে লেখাপড়া সহ নানা দিকে ব্যাপক উন্নয়ন করেছেন। এছাড়া সভাপতি তাজেনুর রহমান একটানা তিনবার সভাপতি হয়ে স্কুলের সার্বিক দিকে ব্যাপক উন্নয়ন করায় এলাকার সুবিধাভোগী কুচক্রী মহল ঐ পথ থেকে তাকে সরানোর জন্য নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ভূয়া দাতা সদস্য হয়ে সভাপতি হওয়া, ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে টিফিনের টাকা নেওয়া, বিজ্ঞানাগারের মালামাল ক্রয়ে অনিয়ম এমনকি নারী ঘটিত ঘটনা উল্লেখ করে কতিপয় ব্যক্তি নানা অপপ্রচারে উঠে পড়ে লেগেছে।
ভুক্তভোগি প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি জানান, ২০০৮ সালে প্রধান শিক্ষক স্কুলের চাকুরী নেওয়ার পর থেকে শিক্ষার্থীরা জে.এস.সি ও এস.এস.সি পরীক্ষায় ভালো রেজাল্ট করে আসছে। স্কুলের কয়েকজন ছাত্র/ছাত্রী মেডিকেলে পড়ছে। ২০০ ছাত্র/ছাত্রীর জায়গায় বর্তমানে ৭০০ শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। লেখাপড়ার মান খুবই ভালো হওয়ায় পার্শ্ববর্তী স্কুল থেকে এখানে ছাত্র/ছাত্রী চলে আসছে। এমনকি ২৫ কি.মি. দূরে মাগুরা শহর থেকেও এখানে পড়তে আসে। হোমভিজিটের মাধ্যমে সভাপতি ও সদস্যরা ছাত্র/ছাত্রীদের নিয়মিত খোঁজ খবর নেন। কোন ছাত্র/ছাত্রী স্কুলে না আসলে প্রধান শিক্ষক প্রতিনিয়ত মোবাইলে খোঁজ নেন। ২০১৪ সাল থেকে দাতা সদস্য হয়ে নির্বাচনের মাধ্যমে বার বার সভাপতি নির্বাচিত হয়ে তাজেনুর রহমান স্কুলে অবকাঠামো নির্মাণ, স্কুলের ভিতর পানি নিষ্কাষন এবং সলিং রাস্তার ব্যবস্থা করেছেন। ছাত্র/ছাত্রীদের বসার সমস্যায় সভাপতির প্রচেষ্টায় স্থানীয় অনুদানে ৭২ ফিট লম্বা দুই রুম বিশিষ্ট একটি ঘর নির্মাণ করেছেন। স্কুলের মাঠে মাটি ভরাটসহ মাটির নিচ থেকে পাইপ লাইন করে পানি নিষ্কাষনের ব্যবস্থা করেছেন। বিজ্ঞানাগারের কোন অর্থ না পেলেও নিজস্ব অর্থায়নে একটি ল্যাপটপ ক্রয় করেছেন। স্কুলের বিল ভাউচার ও ক্যাশের দায়িত্ব সহকারী শিক্ষক রবিউল ইসলামের উপর দেওয়ায় সমস্ত আয়-ব্যয় হিসাব স্বচ্ছ ভাবে তিনি করেন। স্কুলের ছাত্র/ছাত্রীদের কাছ থেকে কোন টিফিনের টাকা না নেওয়া সহ নারী ঘটিত কোন ঘটনাও ঘটেনি। এছাড়া জেনারেল লেখা পড়ার পাশাপাশি ভোকেশনাল খোলার জন্য কারিগরি বোর্ড থেকে অনুমতি আনলেও এখনও কোন কার্যক্রম শুরু হয়নি। এদিকে এলাকাবাসীর ভোটে পর পর তিন বার তাজেনুর রহমান সভাপতি নির্বাচিত হয়ে স্কুলের লেখাপড়ার মান বৃদ্ধিসহ নানা উন্নয়ন মূলক কাজ করায় ইর্ষানিত হয়ে তাকে সভাপতির পদ থেকে বাদ দেওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে কতিপয় কু চক্রী মহল। এমন অভিযোগ করছেন এলাকার সচেতন মহল।

SHARE